তাহিরপুরে শিশু হত্যাকাণ্ড: দাদা ও ফুফুসহ ৯জন আটক

আপডেট : ১২ জানুয়ারি ২০২০, ১৬:৩৭

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্তে মাদ্রাসা পড়ুয়া ৭/৮ বছর বয়সী শিশু তোফাজ্জল অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে থানা পুলিশ দাদা, চাচা ও ফুফুসহ ৯ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে গেছে।

আটককৃতরা হলেন, উপজেলার সীমান্ত গ্রাম বাঁশতলার জয়নাল (দাদা), ইকবাল হোসেন (চাচা), শেফালী বেগম (ফুফু), শিউলী বেগম (ফুফু ), হবি রহমান (প্রতিবেশী), খইরুন নেছা (প্রতিবেশীর স্ত্রী) ও তাদের ছেলে রাসেল।

এর আগে শনিবার সকালে হত্যার শিকার শিশু তোফাজ্জলের পরিবারের সঙ্গে পূর্ব বিরোধে মামলা মোকদ্দমা হয়। এর জের থাকায় এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে প্রথম দফায় গ্রামের কালা মিয়া ও তার ছেলে সেজাউল কবিরকে আটক করে থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ।

আটক কালা মিয়ার ছেলে আটককৃত অপর সন্দেহভাজন সেজাউল কবিরের সঙ্গে নিহত শিশু তোফাজ্জলের ফুফু শিউলি বেগমের বিয়ে হয়। নিহতের পরিবারের লোকজনের অভিযোগ বিয়ের পরে শিউলিকে নির্যাতন করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়।এ নিয়ে উভয় পরিবারের মধ্যে পূর্ব বিরোধ ও মামলা-মোকদ্দমা চলা অবস্থায় গত বুধবার নিখোঁজ হয় শিশু তোফাজ্জল। এরপর তোফাজ্জলের পরিবারের অভিযোগ তোলে কালা মিয়া ও তার ছেলে সেজাউলের প্রতি।

তারা অভিযোগে বলেন, ‘অপহরণের পর চিরকুট লিখে ৮০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করার পর মুক্তিপণ না দেওয়ায় তোফাজ্জলকে হত্যা করা হয়।’

রাতে সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান জানান, আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে। অধিকতর তদন্ত প্রয়োজন। শিশু অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডে কে বা কারা জড়িত তা স্পষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।

আরও পড়ুন: রাজবাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ জন নিহত

প্রসঙ্গত, নিখোঁজের চারদিন পর শনিবার ভোর সোয়া ৫টার দিকে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্তে বস্তাবন্দি অবস্থায় তোফাজ্জল হোসেন নামে ৭ বছর বয়সী মাদ্রাসার ছাত্রকে হত্যা করে ফেলে রেখে যায় ঘাতকেরা।

ইত্তেফাক/নূহু