গোপালগঞ্জের জুয়ার আসর বসনো নিয়ে সংঘর্ষে এক ব্যক্তি নিহতের ঘটনায় জড়িত সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সজিব মোল্লাকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে তার প্রাথমিক সদস্যপদও বাতিল করা হয়েছে। সজিব মোল্লা একই সঙ্গে গোপালগঞ্জর সদর উপজেলার করপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাকে সেই পদ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. আব্দুল হামিদ ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল হামিদ জানান, এপ্রিল মাসের প্রথম দিকে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার করপাড়া ইউনিয়নের বণগ্রাম বিলের মধ্যে জুয়ার আসর বসানো হয়। গত ১২ এপ্রিল বিকেলে এ নিয়ে বণগ্রাম পশ্চিমপাড়ার ও মধ্যপাড়ার যুবকদের মধ্যে ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরের দিন সকালে দুই পাড়ার লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হলে আজর ফকির নামে এক ব্যক্তি ঘটনাস্থলে নিহত হয়। আহত হয় আরো কমপক্ষে ১৫ জন।
আরও পড়ুন: ‘ওরা জানে প্রতিদিন এখানে খাবার পাওয়া যাবে’
ছাত্রলীগ নেতা সজিব মোল্লার বিরুদ্ধে বণগ্রামে জুয়ার আসর বসানোর অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার তদন্তে সদর উপজেলা ছাত্রলীগ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। ছাত্রলীগ নেতা সজিব মোল্লা বণগ্রামে জুয়ার আসর বসিয়ে এলাকার পরিস্থিততি উত্তপ্ত করে ও সংঘর্ষে একজনের মৃত্যু হয় বলে তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দাখিল করে। পরে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাকে ছাত্রলীগের সকল কর্মকান্ড থেকে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
এদিকে অভিযুক্ত সজিব মোল্লা বলেন, আমার বিরুদ্ধে য়ড়যন্ত্র হয়েছে। আমি জুয়ার আসর বসায়নি। আমর প্রতিপক্ষ আমাকে ফাঁসাতে তদন্ত কমিটির কাছে মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করেছে।
ইত্তেফাক/এসি
