ভুয়া দলিল করেই উল্টো মিথ্যা মামলার অভিযোগ

ভুয়া দলিল করেই উল্টো মিথ্যা মামলার অভিযোগ
ভুয়া দলিল করেই উল্টো মিথ্যা মামলার অভিযোগ।ছবি: গুগুল ম্যাপ থেকে

সাব-রেজিস্ট্রার কর্মকর্তার গাফলতির কারণে প্রতারণামূলক ৩ শতক জমির ভুয়া দলিল সম্পন্ন করার অভিযোগ উঠেছে গোলাম মোস্তফা নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জমির প্রকৃত মালিক বাদী হয়ে সাব-রেজিস্ট্রার বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার পশ্চিম মাদারটিলা গ্রামে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম মাদারটিলা গ্রামের আব্দুস ছাত্তারের ছেলে গোলাম মোস্তফা ও একই ইউনিয়নের ঠনঠনিপাড়া গ্রামের মৃত্যু আব্দুল হামিদ আলীর ছেলে জাবেদ আলী গং এর কাছ থেকে চলতি বছরের ৭ সেপ্টেম্বরে ৩ শতক জমি দলিল করে নেয়। যার দলিল নং ২০২৩, ডিপি খতিয়ান নং ৪০৯ উল্লেখ্য করা হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে যাদের কাছ থেকে ওই জমি কবলা করে নেয়, তারা দিয়ারা রেকর্ড মুলে অংশিদার নহে। প্রতারণার পরেও বিবাদী গোলাম মোস্তফা হয়রানিমূলক গত ২৪ সেপ্টেম্বর কুড়িগ্রাম আদালতে অভিযোগকারী হানিফ আলী গং এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

অপরদিকে আবু হানিফ ৮৫৪০ দাগে ৩২ শতক ও গোলাম মোস্তফা ৮৫১৯ দাগে ৩২ শতক জমি রেওয়াজ বদল করে উভয় ভোগ দখল করে আসছে। গোলাম মোস্তফার ৪ শতক জমির ওপর দিয়ে ৬২টির রেকর্ড অনুযায়ী রাস্তা হয়ে যায়। এইটাকে কেন্দ্র করে বিবাদী মোস্তফা হানিফগংদের নানাভাবে গালিগালাজসহ ভয়ভীতি দেখানো হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরে জমির সীমানা নির্ধারণের জন্য আবেদন জানিয়ে রৌমারী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন আবু হানিফগং।

আরও পডুন: স্যাটেলাইট ডেটা চুক্তি স্বাক্ষর করবে ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

এ ঘটনায় গত কয়েক মাস আগে একাধিকবার গ্রাম্য সালিসি বৈঠক বসেন। ওই সালিসে আ. গফুর ডিলার, রিয়াজুল হক, হযরত আলী, বাবুল ও সাবেক মেম্বার সায়েদ আলীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উক্ত সালিসি বৈঠকে জমি সংক্রান্ত সকল সমস্যা সমাধান করে দেন মাতব্বরা। কিছুদিন পর প্রতারক গোলাম মোস্তফা মাতব্বরদের সিদ্ধান্ত না মেনে জমি জালিয়াতির আশ্রয় নেয়।

এ ব্যাপারে বাদী আবু হানিফ মিয়া বলেন, জমির ব্যাপারে গ্রাম্য সালিসে মীমাংসা হয়েছে। এর পরেও গোলাম মোস্তফা আমার ৩ শতক জমি ভুয়া দলিল করে নেয় এবং উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে আদালতে মিথ্যা মামলা করেছে।

বিবাদী গোলাম মোস্তফার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

উপজেলা সাব-রেজিষ্ট্রার কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, আমি অভিযোগ পেয়েছি। অনেক কাজের ভিড়ে একটু ভুল হয়ে গেছে। তবে অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব।

ইত্তেফাক/এএএম

Nogod
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত