পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া থানা পুলিশ সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে পৌর শহরের ছোট কানুয়া গ্রামে শিরিন মঞ্জিল থেকে জান্নাতুল ফেরদৌস মুনমুন (২৮) নামের এক কন্যা শিশু সন্তানের জননীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে। সে ভান্ডারিয়া বাজারে ইলেট্রনিক্স ব্যবসায়ী সুমনের দ্বিতীয় স্ত্রী এবং কাউখালী উপজেলার কেউন্দিয়া গ্রামের আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীরের মেয়ে।
এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ তার (নিহত মুনমুন) স্বামী সুমন হাওলাদার, শ্বাশুরী শিরিন বেগম, ননদ নুপুর আক্তারকে আটক করেছে। শ্বশুর সোহরাব হোসেন হাওলাদার পলাতক। সোহরাব হোসেন হাওলাদার উপজেলার ৪ নম্বর ইকড়ি ইউনিয়নের হেতালিয়া গ্রামের মৃত আলতাফ হাওলাদার এর ছেলে।
স্থানীয় ও মুনমুনের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ বছর আগে ভান্ডারিয়া পৌর শহরের কানুয়া গ্রামের সোহরাব হোসেন হাওলাদারের ছেলে সুমন হাওলাদারের সঙ্গে মুনমুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে প্রায়ই মুনমুনকে তার স্বামী ও তার স্বজনরা মারধর করত। তার সাড়ে তিন বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
ভান্ডারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মাসুমুর রহমান বিশ্বাস জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য একটি জিডি করা হয়েছে। যেহেতু মৃত্যুর বিষয়ে রহস্য রয়েছে সে জন্য মৃতের পরিবার থেকে মামলা করা হলে পরবর্তীতে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মৃত মুনমুনের স্বামী সুমন তার বোন ও মাকে আটক করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/এসজেড

