বাগমারায় তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ

আপডেট : ১৬ এপ্রিল ২০১৯, ১৬:৩২

উপজেলার তাহেরপুর পৌরসভার হরিতলা এলাকায় তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। সোমবার ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে প্রথমে বাগমারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে রাজশাহী মেডিকেলের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিস) ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় স্থানীয়রা হাতেনাতে আলামিন (২২) নামের এক যুবককে ধরে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন। মঙ্গলবার ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে আলামিনের বিরুদ্ধে বাগমারা থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। 

পুলিশ ও মেয়েটির বাবা জানান, সোমবার সন্ধ্যার পর তাহেরপুর পৌরসভার আজিজুলের বখাটে ছেলে আলামিন ছাত্রীকে ফুসলিয়ে এলাকার একটি পরিত্যাক্ত টিনের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় ছাত্রীটির রক্তক্ষরণ শুরু হলে তার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে যায়। এ সময় আলামিন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে লোকজন তাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন। 

পরে রক্তাক্ত ছাত্রীকে উদ্ধার করে স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে রাত ১০টার দিকে ছাত্রীকে বাগমারা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেও ছাত্রীটির কোনো উন্নতি না হওয়ায় রাতেই তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে স্থানান্তর করা হয়। 

বাগমারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. রফিকাল ইসলাম জানান, ‘ধর্ষণের শিকার মেয়েটির রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ওসিসিতে স্থানান্তর করা হয়েছে। 

স্থানীয় এক হোটেল ব্যবসায়ীসহ তাহেরপুর বাজারের ৫/৬ জন ব্যবসায়ী জানান, আলামিন এলাকায় বখাটে ও মাদকসেবী হিসাবে পরিচিত। সে স্কুল কলেজগামী মেযেদের প্রায় যৌন হয়রানী করে থাকে। 

আরও পড়ুন: প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পুতিন-কিম বৈঠক

বাগমারা থানার ওসি আতাউর রহমান জানান, বখাটে আলামিনকে রাতেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে আলামিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। মঙ্গলবার গ্রেপ্তারকৃত আলামিনকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। 

ইত্তেফাক/কেকে