জাপান তামাক ট্যোবাকো কোম্পানী কর্মকর্তাদের নিকট চাঁদা চাওয়াকে কেন্দ্র করে সাটুরিয়া উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ রাজবংশীকে মারধর করেছে তামাক কোম্পানীর লোকজন ও স্থানীয় কৃষকেরা। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যান ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে সাটুরিয়া উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের সাভার এলাকায় ওই ঘটনাটি ঘটে।
জাপান তামাক ট্যোবাকো কোম্পানীর বরাইদ এলাকার ফিল্ড সুপারভাইজার মো. ঈনাম আলী জানান, সাটুরিয়া উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ রাজবংশী মুঠোফোনে তাকে স্থানীয় যুবলীগ কার্যালয়ে যেতে বলেন এবং কিছু খরচাপাতি দিতে বলেন। তিনি ওই কার্যালয়ে না যাওয়ায় সকালে স্থানীয় যুবলীগ নেতারা তাকে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয়। পরে সুভাষ রাজবংশী তামাক কোম্পানীর লোকজনকে মারধর করে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
জাপান তামাক ট্যোবাকো কোম্পানীর বরাইদ এলাকায় কর্মরত কর্মী নাঈম হোসেন জানান, চাঁদা না পেয়ে সকালে সুভাষ তার লোকজন নিয়ে তামাক বিক্রয় কেন্দ্রে এসে তাকে মারধর করে। পরে সে সহ আশেপাশের কৃষকেরা সুভাষকে ধাওয়া মারধর করে সরিয়ে দেয়। স্থানীয় চেয়ারম্যান সুষ্ঠু সমাধান করে দিবে বলে আশ্বাস দেওয়ায় তারা কোন আইনের আশ্রয় নেয়নি বলেও জানান তিনি।
সাটুরিয়া উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ রাজবংশী জানান, জাপান তামাক ট্যোবাকো কোম্পানীর বরাইদ এলাকার ফিল্ড সুপারভাইজার মো. ঈনাম আলীকে ইফতার করার জন্য এবং চা খাওয়ার জন্য তাদের অফিসে নিমন্ত্রন জানানো হয়। কিন্তু বিষয়টি তিনি ভিন্নভাবে বুঝাতে পেরেছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
স্থানীয় বরাইদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ জানান, তামাক কোম্পানীর লোকজন মুঠোফোনে বিষয়টি জানালে তিনি সেখানে যান। কোম্পানীর কর্মকর্তাদের সঙেগ যুবলীগ নেতার ভুল বুঝাবুঝি থেকে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। শুক্রবার বিকেলে একত্রে বসে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা হবে বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুনঃ জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির ১০ দিনের কর্মসূচি
সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিয়ার রহমান জানান, চাঁদা দাবি বা যুবলীগ নেতাকে মারধর করার বিষয়ে লিখিতভাবে থানায় কেউ কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইত্তেফাক/নূহু

