গফরগাঁও পৌর শহরের ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকায় প্রধান সড়কের ওপর লোহার খাঁচায় রাখা হয়েছে ১১ হাজার ভোল্টের ট্রান্সফরমার। গত ১০ দিন ধরে ভ্রাম্যমাণ ট্রান্সফরমারটি এভাবে রাস্তার ওপর রাখা হয়েছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।
গফরগাঁ শহরের ব্যস্তততম বাণিজ্যিক এলাকায় হেকিম টাওয়ারের সামনে শহরের প্রধান সড়ক স্টেশন রোডের ওপর ট্রান্সফরমারটি রাখে পিডিবির গফরগাঁও বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ। অথচ এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। শহরের সবচেয়ে ব্যস্ততম এ সড়কের অর্ধেক অংশ জুড়ে ট্রান্সফরমারটি রাখা হয়েছে। ফলে স্টেশন রোডে যানজট লেগেই থাকে।
স্টেশন রোডের ব্যবসায়ী সাকিব (২২) বলেন, এই ট্রান্সফরমার ঘেঁষে দাহ্য পদার্থ নিয়ে বড় বড় যানবাহন চলাচল করে। যে কোন সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। তাই দ্রুত ট্রান্সফরমারটি সরিয়ে ফেলা উচিত।
পৌরসভার প্যানেল মেয়র মোঃ শাহজাহান সাজু বলেন, এটি শহরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম এলাকা। ভোর থেকে গভীর রাত এ সড়ক দিযে কয়েক হাজার মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। অথচ শহরের প্রধান সড়কের ওপর ১০ দিন ধরে এভাবে ভ্রাম্যমান ট্রান্সফরমারটি বসিয়ে রাখা হয়েছে।
গফরগাঁও বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ সূত্রে জানিয়েছে, সাধারণত বৈদ্যুতিক খুঁটির ওপর ট্রান্সফরমার স্থাপন করা হয়। কোথাও ট্রান্সফরমার বিকল হলে ওই এলাকাবাসীর বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিত করতে লোহার খাঁচার ভিতর ভ্রাম্যমান ট্রান্সফরমার বসানো হয়। পরে মূল ট্রান্সফরমারটি মেরামত করে সেটি সংশ্লিষ্ট স্থানে পুনঃস্থাপন করে ভ্রাম্যমাণ ট্রান্সফরমারটি সরিয়ে নেওয়া হয়। গত ৪ মে ষ্টেশন রোডের হেকিম টাওয়ার এলাকার ট্রান্সফরমারটি বিকল হলে সেখানে লোহার খাচাঁর ভিতর ভ্রাম্যমান ট্রান্সফরমার বসানো হয়।
আরও পড়ুনঃ রামগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি ছুরিকাঘাতে জখম
গফরগাঁও বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এজেডএম আনোয়ারুজ্জামান বলেন, ‘ভ্রাম্যমান ট্রান্সফরমারটি লোহার খাঁচার বেষ্টনী দিয়ে এমনভাবে রাখা হয়েছে, যাতে দুর্ঘটনা না ঘটে। তবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে মূল ট্রান্সফরমারটি পুনঃস্থাপন করে ভ্রাম্যমান ট্রান্সফরমার সরানোর ব্যবস্থা করা হবে।
ইত্তেফাক/নূহু
