ঈদের ছুটি শেষে মাদারীপুরের শিবচরে ইলিয়াছ আহমেদ চৌধুরী কাঁঠালবাড়ি ঘাটে কর্মস্থলগামী যাত্রীদের চাপ বেড়েছে।
শনিবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকেই নৌযানে উঠতে যাত্রীদের প্রতিযোগিতা চলছে। কোনোমতে নিজের জায়গা দখল করে নিতে ব্যস্ত সকলে। এদিকে, যাত্রী ও যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কথা মাথায় রেখে বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ, পুলিশ, র্যাব, আনসার, জেলা-উপজেলা প্রশাসনসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সার্বক্ষণিক কাজ করছেন। এছাড়া যাত্রীসেবা নির্বিঘ্ন করতে সকাল থেকে শিবচর উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড) আল নোমান, ওসি জাকির হোসেন মোল্লা, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি বিএম আতাহার বেপারীসহ একাধিক টিমও কাজ করছে।
বিআইডব্লিউটিসির কাঁঠালবাড়ি ঘাট সূত্র জানায়, ঈদের ছুটি শেষ হওয়ার পর শনিবার সকাল থেকে ঘাট এলাকায় কর্মস্থলগামী যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। ফেরি ও স্পিডবোটের তুলনায় লঞ্চে ছিল যথেষ্ট চাপ। নৌরুটে ৮৭টি লঞ্চ, দেড় শতাধিক স্পিডবোট ও ১৯ থেকে ২১টি ফেরি যাত্রী পরিবহণে নিয়োজিত রয়েছে।
গৌরনদী থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাওয়া যাত্রী হিমেল জানান, লঞ্চে অনেক ভিড়। ধারণ ক্ষমতার তুলনায় বেশি সংখ্যক যাত্রী মনে হচ্ছে লঞ্চগুলোতে।
আরও পড়ুন: বাবার চাকরি ফিরে পেতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ৩৭ বার চিঠি
ঢাকায় কর্মস্থলগামী যাত্রীরা জানান, সকালের দিকে আবহাওয়া কিছুটা স্বাভাবিক থাকে, সেজন্য সকালের দিকেই তারা ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেছে। বিকেলের দিকে বাতাস ও বৃষ্টি হতে পারে। সেজন্য বেশিরভাগ যাত্রী ঢাকা যাওয়ার সময়টা সকালটাকে বেছে নেওয়ায় ভিড় বেশি হয়েছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহণ করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) কাঁঠালবাড়ি ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক আব্দুস সালাম মিয়া বলেন, ঘাটে পর্যাপ্ত ফেরি রয়েছে। পরিবহণের চাপ বাড়লেও ঘাট এলাকায় স্বাভাবিকভাবেই গাড়ি ফেরিতে উঠছে। কোনো ধরনের ভোগান্তি নেই। এদিকে, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি ও যুগ্ম সচিব ড. মো. আবুল কালাম আজাদ, উপ সচিব এসএম শাহ হাবিবুর রহমান হাকিমসহ নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সকালে ঘাট এলাকা পরিদর্শন করেন।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কাঁঠালবাড়ি লঞ্চ ঘাটের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আক্তার হোসেন বলেন, সকাল থেকে লঞ্চ ঘাটে কর্মস্থলগামী যাত্রীদের চাপ অনেক বেশি। তবে লঞ্চে শৃঙ্খলার সঙ্গে যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে।
ইত্তেফাক/এমআই

