ঢাকা সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯, ২৯ আশ্বিন ১৪২৬
২৬ °সে


উলিপুরে ৪৯টি গ্রামের ১১ হাজার মানুষ পানিবন্দি

উলিপুরে ৪৯টি গ্রামের ১১ হাজার মানুষ পানিবন্দি
তিস্তায় পানি বেড়েছে। ছবি: ইত্তেফাক

কুড়িগ্রামের উলিপুরে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ব্রহ্মপূত্র ও তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তিস্তা ও ব্রহ্মপূত্র নদ অববাহিকার ৮ ইউনিয়নের ৪৯টি গ্রামের প্রায় ১১ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। সেইসঙ্গে আমন বীজতলা, পাটক্ষেতসহ শাকসবজি পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

শুক্রবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত তিস্তা পয়েন্টে বিপদ সীমার ৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও ব্রহ্মপূত্র নদের চিলমারী পয়েন্টে বিপদ সীমার ৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সেইসঙ্গে তিস্তা ও ব্রহ্মপূত্র নদের অব্যাহত ভাঙনে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে অর্ধশতাধিক বাড়ি নদীগর্ভে চলে গেছে।

দলদলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমান মুন্সি বলেন, ‘তিস্তা অববাহিকার চর কর্পূরা, চরমহাদেবসহ ৫ গ্রামের প্রায় ১ হাজার মানুষ পানিবন্দি রয়েছে। সরকারীভাবে এসব মানুষের জন্য এখনও কোন ত্রাণ সামগ্রী দেওয়া হয়নি।’

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্র জানায়, তিস্তা অববাহিকার থেতরাই ইউনিয়নের ৫টি গ্রামের ১ হাজার ৫শত, গুনাইগাছ ইউনিয়নের ৪ টি গ্রামের ৬ শত, বজরা ইউনিয়নের ৬টি গ্রামের ২ হাজার ১ শত ও ব্রহ্মপূত্র নদ বিচ্ছিন্ন সাহেবের আলগা ইউনিয়নের ১৩ টি গ্রামের ২ হাজার ৫শত, বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের ৯টি গ্রামের ১ হাজার ২ শত, হাতিয়া ইউনিয়নের ৫টি গ্রামের প্রায় ১ হাজার, বুড়াবুড়ি ই্উনিয়নের ৪ টি গ্রামের ১ হাজার ৪ শতসহ মোট ১১ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এসব পানিবন্দি মানুষের জন্য সরকারীভাবে ১০ মেঃ টন জিআর চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।

আরও পড়ুন: উল্লাপাড়ায় অস্ত্রসহ ডাকাত গ্রেপ্তার

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আব্দুল কাদের বলেন, ‘দূর্গত মানুষের তালিকা কর্তৃপক্ষের বরাবর পাঠানো হয়েছে।’

ইত্তেফাক/নূহু

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৪ অক্টোবর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন