গাইবান্ধায় বন্যায় ১শ ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ

আপডেট : ১৫ জুলাই ২০১৯, ০১:২১

গাইবান্ধায় বিদ্যালয়ের মাঠে পানি উঠে যাওয়ায় জেলার চার উপজেলার ১শ ১৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদানসহ যাবতীয় কার্যক্রম শনিবার থেকে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে রবিবার জেলার সবকটি নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহিত থাকলেও তিস্তার পানি কমতে শুরু করেছে। বন্যায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ৫০ হাজার পরিবার। নদী ভাঙনে দুই সহস্রাধিক পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে প্রায় প্রায় ৩০০ হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসল।

গাইবান্ধা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ হোসেন আলী জানান, ওইসব বিদ্যালয়ের মাঠে পানি উঠেছে। শিশু শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত ঝুঁকিপুর্ণ হয়ে পড়েছে। জেলার ১শত ১৫টি  প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদানসহ সকল কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে। তারমধ্যে ফুলছড়িতে ৫৫টি, সাঘাটায় ২২টি, গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ১৯টি ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ২২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহি প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান জানান, রবিবার বিকাল পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমার ৮৩ সে.মি., তিস্তার ২০ সে.মি এবং ঘাঘট নদীর পানি ৫৫ সে.মি. ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে করতোয়া নদীর পানি এখনও বিপদসীমার সামান্য নিচে রয়েছে এবং সকালের চেয়ে বিকালে তিস্তার পানি ২ সে. মি কমেছে। 

আরও পড়ুন: ঝিনাইগাতীতে বন্যার পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

তিনি আরও জানান, পাউবোর কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দকে সতর্ক রাখা হয়েছে। এসব নদ-নদীর ভাঙন কবলিত এলাকাগুলোয় ভাঙনরোধে ৬৫ হাজারের বেশি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে।

ইত্তেফাক/নূহু