বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে আমরণ অনশন করছে এক কলেজ পড়ুয়া এক প্রেমিকা (১৯)। প্রেমিকা বাড়িতে আসার খবর পেয়ে প্রেমিক হাসান বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। মঙ্গলবার সকালে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার নাগডেমড়া ইউনিয়নের সোনাতলা নতুন পাড়া গ্রামের আবুল কাশেমের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
মেয়েটির অভিযোগে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর ধরে উপজেলার সোনাতলা গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে হাসানের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী শাহজাদপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজের ওই ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছে। এর মধ্যে তাদের মধ্যে একাধিকবার শারিরীক সম্পর্ক হয়। শারীরিক সম্পর্কের ঘটনা জানাজানি হলে ছেলের বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব পাঠায় মেয়ের পরিবার। এতে প্রেমিকের বাবা-মা মেনে না নেওয়ায় প্রেমিক হাসানের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে আমরণ অনশনে বসে প্রেমিকা। বিয়ে না দিলে আত্মহত্যা করবে বলে হুমকিও দেয় সে।
এদিকে প্রেমিক বিয়ে করতে অসম্মতি জানিয়ে ঘটনার পর থেকেই পালাতক রয়েছে। কলেজ পড়ুয়া মেয়েটি সাংবাদিকদের বলেন আমি এখান থেকে যাব না। বিয়ে না করলে আত্মহত্যা করবো।
আরো পড়ুন: কৃত্রিম হৃদযন্ত্র নিয়ে সুস্থ আছেন ১০ বছর, গড়েছেন রেকর্ড
হাসানের বাবা আবুল কাশেম বলেন, কয়েকদিন আগে মেয়ে পক্ষ থেকে লোক এসেছিলো। তখন আমি আমার ছেলেকে জিজ্ঞাসা করলে সে এই মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কের কথা অস্বীকার করে। এরপর হঠাৎ মেয়েটি আমার বাড়িতে উঠার সংবাদ পাই। আজকে রাতে বিয়ে হতে পারে বলে তিনি জানান।
প্রেমিকার নানা সিরাজউদ্দিন জানান, বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আমরা ছেলে বাড়িতে গেলে তারা আমাদের প্রস্তাবে রাজি হয়নি। তাই বিয়ের দাবিতে ছেলের বাড়িতে গিয়ে আমার নাতনী উঠতে বাধ্য হয়েছে।
আরো পড়ুন: ভাবীর পরকীয়া দেখায় জীবন দিতে হলো দেবরকে
এ ব্যাপারে নাগডেমড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ জানান, বিষয়টি শুনে ওই বাড়িতে লোক পাঠিয়ে খবর নিয়েছি। বুধবার ছেলে বাড়িতে ফিরলে আমরা সামাজিকভাবে উভয়কে বিয়ে দিয়ে দিব।
সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, নাগডেমরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হারুণ-অর রশিদ রোজিনাকে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে বিয়ের ব্যবস্থার করতে চাইলেও সে তাতে রাজি হয়নি। প্রেমিকা হাসানের বাড়ি থেকে কোথাও যেতে রাজি হচ্ছে না।
ইত্তেফাক/বিএএফ

