পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরানকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে ভারত

আপডেট : ১৬ জানুয়ারি ২০২০, ২০:২৪

স্বাধীনতার পর থেকেই দুই প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তানের সম্পর্কের উত্থান পতন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে গত বছর পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলা, বালাকোটে ভারতীয় বিমানবাহিনীর অভিযান, কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল এবং সর্বশেষ নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ঘিরে দুই দেশের সম্পর্কের তিক্ততা চরমে উঠেছে। এর মধ্যেই চলতি বছরের শেষের দিকে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও) এর সম্মেলন উপলক্ষে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে আমন্ত্রণ জানাতে যাচ্ছে ভারত। 

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রবীশ কুমার। তারিখ ঠিক না হলেও চলতি বছরের শেষের দিকে রাজধানী নয়াদিল্লিতে এসসিও’র সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবার কথা রয়েছে। এ ব্যাপারে রবীশ কুমার বলেন, ‘এই বছর সরকার প্রধানদের সম্মেলনের আয়োজক ভারত। প্রচলিত রীতি ও পদ্ধতি অনুযায়ী এসসিও’র মোট আট সদস্য দেশ, চার পর্যবেক্ষক দেশ এবং সমস্ত আলোচনার সঙ্গীসহ সব দেশকেই আমন্ত্রণ জানানো হবে।’

আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অর্থনীতি বিষয়ক আট সদস্যের সংগঠন এসসিও’র নেতৃত্বে রয়েছে চীন। সংগঠনের চার পর্যবেক্ষক দেশ হচ্ছে- আফগানিস্তান, বেলারুশ, ইরান ও মঙ্গোলিয়া। এছাড়া আলোচনার অংশীদার ৬টি দেশ হলো- আজারবাইজান, আর্মেনিয়া, কম্বোডিয়া, নেপাল, তুরস্ক ও শ্রীলঙ্কা। 

আরও পড়ুন: আইটি খাতের আয় পোশাক খাতকে ছাড়িয়ে যাবে : জয়

ভারতের আমন্ত্রণের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন বিবৃতি দেয়নি পাকিস্তান। তবে কূটনীতিকরা ধারণা করছেন ভারত-পাক সম্পর্ক বর্তমানে যে অবস্থানে পৌঁছেছে তাতে ইমরানের ভারত সফরের সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। গত এক বছরে আন্তর্জাতিক মঞ্চে সকল ক্ষেত্রে ভারতের বিরোধিতা করেছেন ইমরান। ভারতও সুযোগ পেলেই পাকিস্তানকে সন্ত্রাসের মদদদাতা বলে আখ্যা দিয়ে আসছে। তাছাড়া ভারতে এলে ইমরান নিজ দেশে বিরোধী দলগুলোর চাপের মুখে পড়তে পারেন। এসব বিবেচনায় কূটনীতিকরা ইমরানের ভারত সফরের আশা দেখছেন না। 

ইত্তেফাক/এসইউ