ভবিষ্যতে বাঁচতে হলে খেতে হবে পোকামাকড়!

আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৭:০৩

জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে লড়াই করতে খাদ্যের চাহিদা মেটাতে বিকল্প উপায় হিসেবে পোকামাকড় খেতে হবে বলে জানিয়েছে বিজ্ঞানীরা। খবর বিবিসির। 

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হ্যয়েছে, ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বে জনসংখ্যা ৯৭০ কোটিতে পৌঁছবে। এজন্য সারা বিশ্বব্যাপী খাদ্যের উৎপাদনও বাড়াতে হবে দ্বিগুণ। 

বিজ্ঞানীরা জানান, তখন খাদ্য তালিকায় মাংসের পরিমাণ অনেক কমাতে হবে অথবা আমিষের জন্য বিকল্প উপায় বের করতে হবে।

বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, পোকামাকড় খেয়ে বিশ্বের ক্ষুধার সঙ্গে লড়াই করা যেতে পারে। তেলাপোকা, বিচ্ছু, ঘাসফড়িং, শুয়োপোকা, গুবরে পোকা, শুককীট বিভিন্নভাবে ভেজে বা সালাদ বানিয়ে খাওয়া যায়। আর এসব পোকামাকড়ের পুষ্টিগুণ ও অনেক বেশি বলে জানানো হয়েছে। 

 

এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন মানুষের খাদ্যতালিকায় পোকামাকড় ইতিমধ্যে অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এছাড়া  পোকা মাকড়ের বিভিন্ন স্যুপ নানা রেস্টুরেন্টে পরিবেশনা করা হচ্ছে।

  

ফ্রান্সের একটি নামকরা কোম্পানি ফড়িংয়ের গ্রিল বিক্রি শুরু করেছে অনেক আগে থেকে। জার্মানির রাস্তারায়ো মিলছে এখন শুয়োপোকা এবং ঘাস ফড়িং। 

আরো পড়ুন: নেপাল ও ভুটান ভারতের অংশ, দাবি ট্রাম্পের! 

খবরে বলা হয়েছে, বিশ্বে প্রায় এক হাজার প্রকারের পোকামাকড় রয়েছে যেসব আহারযোগ্য এবং অনেক পুষ্টিকর। 

ইত্তেফাক/এসআর