ঢাকা মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ১০ বৈশাখ ১৪২৬
২৫ °সে

জ্বলন্ত কয়লার উপর খালি পায়ে হেঁটে দোল পালন!

জ্বলন্ত কয়লার উপর খালি পায়ে হেঁটে দোল পালন!
সংগৃহীত ছবি

বসন্তের আগমনকে সূচিত করতে সারাবিশ্বে এভাবে হয়ত আর কোথাও এমনভাবে পালিত হয় না দোল উৎসব। আবির রঙ আর ভাঙ- সব মিলিয়ে বসন্তের নেশার গন্ধ যে কী ভারতীয়রা তা ভালোই জানেন। এই দেশে বসন্তের আগমন ক্যালেন্ডারে নয়, বরং দোলেই নির্ধারিত হয়। দেশের এক এক প্রান্তে এক এক ভাবে পালিত হয় দোল উৎসব। যেমন গুজরাটের সুরাটে এই বিশেষ গ্রামটির কথাই ধরা যাক! দোলের আগে দিন, অর্থাৎ হোলিকা দহনের রাতে জ্বলন্ত আগুনের উপর দিয়ে হাঁটেন সাধারণ মানুষ।

হোলিকা দহন, কোথাও বা ন্যাড়া পোড়া খানিক বোনফ্রি-এর মতোই। নাচ, গান এবং খাওয়া দাওয়া সবই চলে আগুনকে ঘিরে। অশুভের বিরুদ্ধে শুভ শক্তির জয়ের উদ্দেশ্যেই এই বিশেষ আচারটি পালিত হয়।

বুধবার রাতে হোলি বা দোলের প্রাক্কালে সুরাটের এই সরস গ্রামের বাসিন্দারা হোলিকার আগুনে খালি পায়ে হাঁটলেন। গরম কয়লার উপর খালি পায়ে হেঁটে, পবিত্র আগুনে চরণ স্পর্শ করালেন সাধারণ মানুষ।

আরো পড়ুন: সুখ কমেছে বাংলাদেশের মানুষের: জাতিসংঘ রিপোর্ট

আগুনের উপর দিয়ে হেঁটে চলার এই ঐতিহ্যের বয়স কয়েকশো বছর। এই গ্রামের লোকেরা বিশ্বাস করেন, এই আচার অনুষ্ঠান তাদের ইচ্ছা পূরণ করবে এবং তাদের সকল দুঃখ ও সমস্যার সমাধান করে দেবে। সারাবিশ্ব থেকে বহু মানুষ এই দিনে শুধু মাত্র এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে এই গ্রামে আসেন।

ব্রিটিশ যুক্তরাজ্যের বাসিন্দা হিনা প্যাটেল এই ঘটনাটি চাক্ষুষ করার জন্যই সেখানে গিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, ‘আমার যখন ১০ বছর বয়স, আমি এখানে আসতাম। কেউই গরম কয়লার উপরে হেঁটে কোনও আঘাত পান না। কেবলমাত্র যারা কোনও কিছু ভুল করেছেন তারাই আহত হন।’

স্থানীয় বাসিন্দা জীনাল ওয়াঘেল বলেন, ‘মানুষ ভয় ছাড়াই জ্বলন্ত কয়লার উপর হেঁটে যান এবং তারা আঘাতও পান না। আমার স্বামীও গত বছর খালি পায়ে হাঁটেন।’

ইত্তেফাক/বিএএফ

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২৩ এপ্রিল, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন