ঢাকা শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২০, ৪ মাঘ ১৪২৭
২৪ °সে

গরু আর ওম শুনে কেঁপে ওঠাটা দুঃখজনক: মোদী

গরু আর ওম শুনে কেঁপে ওঠাটা দুঃখজনক: মোদী
নরেন্দ্র মোদী। ছবি: সংগৃহীত

‘ভারতে গরু আর ওম শুনিলেই কেঁপে ওঠেন অনেকে। এটা আমাদের জন্য খুবই দুঃখজনক।’ উত্তরপ্রদেশের মাথুরায় গবাদিপশুর রোগ নিরাময় বিষয়ক একটি প্রোগ্রামের উদ্বোধন করতে এসে এভাবেই দুঃখ প্রকাশ করেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

অনুষ্ঠানের ভাষণে মোদী বলেন, ‘গরু আর ওম (সনাতন ভক্তিমূলক পবিত্র শব্দ) শুনলেই এদেশের অনেক লোকের চুল দাঁড়িয়ে যায়। তারা মনে করেন, ভারত আদিমযুগে ফিরে যাচ্ছে। কেউ কি আমাকে বোঝাবেন, গবাদি পশুর উন্নয়ন ও কল্যাণ ছাড়া কিভাবে একটি দেশ এগুতে পারে!’

তিনি আরও বলেন, ‘পরিবেশ ও প্রাণীকুল আদিকাল থেকেই ভারতীয় অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। একটি নতুন শক্তিশালী ভারত গড়ে তুলতে আমরা সদা সচেষ্ট। এজন্য আমরা অর্থনীতি, পরিবেশ ও প্রাণীকুলের মধ্যে ভারসাম্য আনতে চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সময় মঞ্চে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও উপস্থিত ছিলেন। গোরখপুরে তার নিজের একটি বড় গরুর খামার রয়েছে। উত্তরপ্রদেশ সরকার এরই মধ্যে গরুভক্তির চর্চায় তরুণ সমাজকে অনুপ্রাণিত করার উদ্দেশ্যে গরু দত্তক দেয়ার স্কিম চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সরকারের এই স্কিমের আওতায় যে কেউ তিন লাখ রুপির বিনিময়ে সারাজীবনের জন্য একটি গরু দত্তক নিতে পারবে। অপেক্ষাকৃত অসচ্ছলদের জন্যও দত্তক নেওয়ার সুযোগ রয়েছে এই স্কিমে।

সেক্ষেত্রে, ২১ হাজার রুপি খরচায় এক বছরের জন্য এবং দেড় হাজার রুপিতে ১৫ দিনের জন্য গরু দত্তক নিতে পারবে যে কোন ব্যক্তি।

মধ্যপ্রদেশ পশুপালন অধিদপ্তর এ উদ্যোগকে সামনে রেখে পুরো রাজ্যে এক হাজার গাইশালা (যেখানে গরু রাখা হবে) নির্মাণের জন্য চাঁদা তোলা শুরু করেছে। এইসব গাইশালা থেকে নাগরিকরা চাইলে গরু দত্তক ছাড়াও গোবর এবং মূত্রও কিনে নিয়ে যেতে পারবেন।

ইত্তেফাক/জেডএইচ

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
icmab
facebook-recent-activity
prayer-time
১৭ জানুয়ারি, ২০২০
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন