যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান ‘রক্ত পিপাসু’ দেশ। সৌদি আরবের তেলক্ষেত্রে হামলার পর বিশ্বের অন্যান্য দেশের উচিত ইরানকে চাপ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত হওয়া। তবে শান্তির পথও আছে। গতকাল মঙ্গলবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প আরও বলেন, আমরা অংশীদার চাই, কোনো শত্রু চাই না।
এদিকে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামোর দুটি স্থাপনায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর চালানো হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেছে ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও জার্মানি। সোমবার এক যৌথ বিবৃতিতে এ কথা বলেছে ইউরোপের তিন দেশ।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের সাইডলাইনে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা ম্যার্কেলের এক বৈঠকের পর এই যৌথ বিবৃতি দেওয়া হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, আমাদের কাছে এটা পরিস্কার যে এই হামলার দায় ইরানের। অন্য কোনো বিশ্বাসযোগ্য ব্যাখ্যা নেই। তবে তারা জানিয়েছে, ২০১৫ সালে ইরানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত পারমাণবিক চুক্তির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে। যদিও ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ আশা প্রকাশ করে বলেছেন, আসছে কয়েক ঘণ্টায় ইরান ইস্যুতে অগ্রগতি হতে পারে।
আরো পড়ুন: টয়লেট নিয়ে বিড়ম্বনায় মোদি ও বিল গেটস
ওই হামলার পর সৌদি আরর ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে দায়ী করে। যদিও বারবার এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে তেহরান। গতকাল ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভাদ জারিফ বলেছেন, এই হামলার পেছনে তেহরান থাকলে তেল শোধনাগারটির কিছুই অবশিষ্ট থাকতো না। নিউ ইয়র্কে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
ইত্তেফাক/এসআর

