সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুর আসনের চার বারের বিপুল ভোটে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও মির্জাপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো. একাব্বর হোসেন (৬৭) এবং তার স্ত্রী মিসেস ঝরনা হোসেন (৫৫) করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।
সাংসদ একাব্বর হোসেন ও তার স্ত্রী ঝরনা হোসেনকে ঢাকার সিএমএইচে ভর্তি করা হয়েছে। রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সম্পাদক ও সাংসদ মো. একাব্বর হোসেনের ছেলে মো. তাহরীম হোসেন সিমান্ত।
মো. তাহরীম হোসেন সিমান্ত জানান, গত কয়েক দিন ধরে তার বাবা সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. একাব্বর হোসেন এবং তার মা ঝরনা হোসেনের শ্বাসকষ্ট, জ্বর, গলা ব্যথা ও খাবারের অরুচিসহ করোনার নানা উপসর্গ দেখা দেয়। মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকার বেসরকারি একটি ক্লিনিকে দুইজনের করোনার পরীক্ষার জন্য নমুনা দেওয়া হয়। বুধবার রাতে তাদের নমুনা পরীক্ষার ফলাফল (কোভিট-১৯) করোনা পজিটিভ আসে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বুধবার রাতেই সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. একাব্বর হোসেন এবং তার স্ত্রী মিসেস ঝরনা হোসেনকে রাজধানী ঢাকার সিএমএইচে ভর্তি করা হয়েছে। ভর্তির পর তাদের আইসিইউতে রাখা হয়েছে বলে তাহরীম হোসেন সিমান্ত আরও জানিয়েছেন।
এদিকে সাংসদ একাব্বর হোসেন ও তার স্ত্রী মিসেস ঝরনা হোসেনের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে সকলের নিকট দোয়া চেয়েছেন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাবেক এমপি জননেতা মো. ফজলুর রহমান খান ফারুক, সাবেক এমপি মো. আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্ট অব বেঙ্গল (বিডি) লি. এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজিব প্রসাদ সাহা, পরিচালক শিক্ষা ও একুশে পদক প্রাপ্ত প্রিন্সিপাল প্রতিভা মুৎসুদ্দি, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মীর এনায়েত হোসেন মন্টু, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মীর শরীফ মাহমুদ, টাঙ্গাইল জেলা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ও জেলা আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য খান আহমেদ শুভ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবদুল মালেক মোস্তাকিম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীর্জা মো. জুবায়ের হোসেন, মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সায়েদুর রহমান ও উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মো. শামীম আল মামুন প্রমুখ।
ইত্তেফাক/এমআরএম

