সিলেটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের অফিসে টিকিটের জন্য বিক্ষোভ ও বিমান অফিসের গ্লাস ভাঙচুর করেছেন প্রবাসীরা। বুধবার বিকাল চারটা দিকে এই ঘটনা ঘটে। তাদের দাবি, প্রবাসে ফেরত যাওয়ার ফিরতি টিকেট কনফার্ম করতে নানা ধরণের টালবাহানা করা হচ্ছে। তবে বিমান সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, বর্তমানে টিকেটের কোন সঙ্কট নেই। প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র দাখিলের পর টিকেট দেয়া হচ্ছে।
করোনা ভাইরাসের পূর্ব মুহূর্তে দেশে আসা মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের অনেকেই সংশ্লিষ্ট দেশে ফেরত যেতে পারেননি। বর্তমানে সংশ্লিষ্ট দেশ এসব প্রবাসীদের ফেরত যাওয়ার সুযোগ দিলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের টিকেট করে আসা যাত্রীরা ভিড় করেছেন বিমান অফিসে। বুধবার সকাল থেকেই শত শত যাত্রী তাদের টিকেট কনফার্ম করতে ভিড় করেন। এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে বিমান অফিসের গ্লাস ভাঙচুর করা হয়।
দুবাই ফেরত এক প্রবাসী জানান, সকাল ৯টা থেকে বাহিরে অপেক্ষা করছি টিকেট পেতে। কিন্তু সংশ্লিষ্টরা একেক সময় একেক রকমের কাগজ আনতে বলেন। এতে ভোগান্তির কোন শেষ নেই। এছাড়া অফিসে ঢুকতে দালালদের ৫শ টাকা দিয়ে ঢুকতে হয় বলে জানান তিনি। বিশ্বনাথের প্রবাসী শামসুজ্জামান মনির বলেন, মঙ্গলবার যাবতীয় কাগজপত্র নিয়ে আসলে বলা হয় বুধবার আসতে। কিন্তু এখনো টিকেট পাইনি।
সিলেট বিমান অফিসের জেলা ব্যবস্থাপক মো. শাহর নেওয়াজ মজুমদার বলেন, বর্তমানে টিকেটের কোন সঙ্কট নেই। দুবাই, আবুধাবি, সৌদিসহ কয়েকটি দেশে সপ্তাহে ৯টি ফ্লাইট যাচ্ছে। একসাথে সকল যাত্রী অফিসে আসায় কিছুটা ভোগান্তি হচ্ছে।
এছাড়া তিনি বলেন, ফিরতি টিকেট পেতে যে সকল কাগজ দরকার এ সঙ্ক্রান্ত সকল তথ্য বিমান অফিসের সামনে ঝুলিয়ে রাখা আছে। যাত্রীদের সকল কাগজ এক সাথে ও ট্যাক্সের ২ হাজার টাকা সহ আসতে বিমান যাত্রীদের তিনি অনুরোধ করেন। তিনি বলেন যাত্রীদের প্রথম দিনে সিরিয়াল নাম্বার দেয়া হয়। পরদিন সকল কাগজপত্র ঠিক থাকলে টিকেট দেয়া হয়।
শাহ নেওয়াজ বলেন, অন্য এয়ারলাইন্সে আসা অনেক যাত্রী টিকেট না পেয়ে বিমান বাংলাদেশের অফিসে এসে ভিড় করেন। কিন্তু তাদেরকে এখন কোন টিকেট দেয়া হবে না।
ইত্তেফাক/বিএএফ
