জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুরে নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন ও ভিডিওচিত্র ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় দায়েরকৃত দুই মামলায় রিমান্ডে থাকা তিন আসামিকে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তকারী দল।
শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মামলার ১ নম্বর আসামি নুর হোসেন ওরফে বাদল, ৩ নম্বর আসামি আবুল কালাম ও ৫ নম্বর আসামি মাঈন উদ্দিন ওরফে সাজুকে সঙ্গে নিয়ে তদন্তকারী দল ঘটনাস্থল জয়কৃষ্ণপুর গ্রামে নির্যাতনের শিকার ওই নারীর বাড়িতে যান। এ সময় তারা ওই নারীর বসতঘরে নির্যাতনের স্থান ও ঘরের আশপাশ এলাকা ঘুরে দেখেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে পিবিআই নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সী জানান, দুটি মামলার মধ্যে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলাটি তদন্ত করছেন পিবিআই পরিদর্শক মামুনুর রশীদ পাটোয়ারী এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে অন্য মামলাটি তদন্ত করছেন পিবিআইয়ের পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান।
এর আগে বেগমগঞ্জ থানা-পুলিশের কাছ থেকে মামলা দুটির কাগজপত্র বুঝে নেয় এবং রিমান্ডে থাকা ৫ আসামিকে তাদের হেফাজতে আনে পিবিআই।
আরও এক আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততায় গ্রেফতারকৃত ও রিমান্ডে থাকা আসামি মাঈনুদ্দিন সাহেদের দুইদিনের রিমান্ড শেষ হলে দুপুরে তাকে আদালতে হাজির করে পিবিআই। বিকালে বিকালে সাহেদ জেলার ২নং আমলী আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান করেন। আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোসলেহ উদ্দিন মিজান তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠান।
আদালতের একটি সূত্র জানায়, এই আসামি ওই নারীকে নির্যাতনের কথা স্বীকার করেন এবং ঘটনার সময় সে উপস্থিত ছিল। এ নিয়ে গত তিনদিনে রিমান্ডে থাকা ৯ আসামির মধ্যে ৫ জন আদালতে তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করলো।
ইত্তেফাক/ইউবি
