আসামির অবস্থান যাচাই করে ওকালতনামায় স্বাক্ষর করতে জেলারদের নির্দেশ

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২০, ০০:২২

আসামি কারাগারের ভেতরে না বাহিরে আছে—তা যাচাই করে ওকালতনামায় স্বাক্ষর এবং তা রেজিস্ট্রিভুক্ত করতে দেশের সব জেল সুপারকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ওকালতনামায় সংশ্লিষ্ট ডেপুটি জেলারের পূর্ণ নামসহ স্বাক্ষর করতে বলা হয়েছে। এ সংক্রান্ত মামলার শুনানি শেষে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ভার্চুয়াল ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল সোমবার এই আদেশ দেন। অবিলম্বে এই আদেশ কার্যকর করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, পুলিশের আইজি, আইজি প্রিজন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ওকালতনামায় ডেপুটি জেলারের স্বাক্ষর ছাড়া কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া আসামি মিজানুর রহমানকে চার সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে।

আদালতে দুদকের পক্ষে মো. খুরশীদ আলম খান, রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক, ডেপুটি জেলারের পক্ষে মোহাম্মদ আলী আজম ও আসামি পক্ষে মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল শুনানি করেন।

এনআরবি ব্যাংকের ১১ কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতির মামলায় গত ১৫ জুন হাইকোর্ট থেকে জামিন পান জিওলোজাইজ সার্ভেয়ার করপোরেশনের প্রোপ্রাইটর অ্যান্ড চিফ সার্ভেয়ার মিজানুর রহমান কনক। পরে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান। পরে ঐ আসামির দুইটি ওকালতনামা আদালতে দাখিল নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপিত হলে ডেপুটি জেলার খন্দকার মো. আল মামুনকে তলব করে হাইকোর্ট। তিনি হাইকোর্টে হাজির হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চান। এতে বলা হয়, কারাগারে একসঙ্গে ৩ থেকে ৪০০ ওকালতনামায় স্বাক্ষর করতে হয়। তখন বিষয়টি দেখে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি বিধায় এ ভুল হয়েছে। পরে হাইকোর্ট তাকে সতর্ক করে দিয়ে উপরোক্ত আদেশ দেয়।