কক্সবাজারের কলাতলীর সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে ভুয়া এসিল্যান্ড আটক

আপডেট : ০১ নভেম্বর ২০২০, ১২:১৫

কক্সবাজারের কলাতলীর সুগন্ধা পয়েন্ট এলাকা থেকে এক ভুয়া এসিল্যান্ডকে আটক করেছে আইন-শৃংখলা বাহিনী। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে তাকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আটক যতীন্দ্র নাথ দাস (৩৮) বাগেরহাট জেলার চিতলমারী থানার চরকুড়াল তলা এলাকার জিতেন্দ্র নাথ দাসের ছেলে।

মামলার বাদী মো. আলাউদ্দিন এজাহারে উল্লেখ করেন, সৈকতের হোটেল সিগ্যালপাড়া মহল্লা থেকে বছর আগে উচ্ছেদ হওয়া সমাজের সভাপতি ও অন্যান্যরা পুনর্বাসনের বিষয় নিয়ে সদর এসিল্যান্ডের সাথে যোগাযোগ করতে যান। সেখানে তার অফিসে রুমের ভিতরে কথা বলার সময় ধৃত আসামিও উপস্থিত ছিলেন। তারা এসিল্যান্ড অফিস থেকে বের হওয়ার পর উক্ত আসামিও বাইরে এসে জানায় তিনি রামুর এসিল্যান্ড। আটক প্রতারক বলেন, সদর এসিল্যান্ড তার বন্ধু হয় এবং কথা বলার সময় সভাপতিকে একপাশে ডেকে নিয়ে পুনর্বাসন করার আশ্বাস দিয়ে ৩ লাখ টাকা দাবি করে। বিষয়টি সদর সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) জানালে ধৃত আসামি উনার পরিচিত নন বলে জানান। পরে ধৃত আসামি ২৯ অক্টোবর বিকাল ৪ টায় টাকা নিয়ে লাবনী পয়েন্টে দেখা করতে বলে। তার কথামত লাবনী পয়েন্টের আলিফ লাম মীম জামে মসজিদের পার্শ্বে তার সাথে দেখা করলে তিনি (প্রতারক) জানায় কাজটি করার জন্য ডিসি ও মেয়রকে বলে দিয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক হয়েছে বিধায় উক্ত টাকা দাবি করে। তার কাছে টাকা দেওয়ার সময় চাইলে টাকা না দিলে সুগন্ধা পয়েন্টে উচ্ছেদ মামলায় জড়াবে বলে হুমকি দেয়। পরে তার কথায় বিশ্বাস স্থাপন করে শনিবার  সন্ধ্যা ৭ টায় তাকে ২৫ হাজার টাকা দিতে চাইলে তিনি টাকা নেয়ার জন্য সুগন্ধা পয়েন্টের কড়াই রেষ্টুরেন্টের সামনে দেখা করেন। তার কথায় সন্দেহ হলে স্থানীয় লোকজন সহায়তায় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তিনি রামু থানার এসিল্যান্ড বলে দাবি করে। খবর নিয়ে জানতে পারি তিনি এসিল্যান্ড নন। তাকে পুলিশে সোপর্দ করে সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয় (যার নং-৭০/২০)।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি মুনীর উল গীয়াস মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটক আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। থানার এসআই মানিক কুমার চৌধুরীকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে।

ইত্তেফাক/এমআরএম