নতুন ধানে মুখে হাসি নন্দীগ্রামের কৃষকের

আপডেট : ১৯ নভেম্বর ২০২০, ১৬:০৫

বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে চলতি আমন মৌসুমের ধান কাটা-মাড়াইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। উৎপাদিত ফসলের দাম আশানুরূপ হওয়ায় খুশি কৃষক। 

উত্তরাঞ্চলের শস্যভাণ্ডার হিসাবে খ্যাত বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম উপজেলায় চলতি আমন মৌসুমে ১৯ হাজার ৩৭৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৮১৫ হেক্টর জমিতে আগাম জাতের ধান চাষ হয়েছে। আগাম জাতের ধান কাটা-মাড়াইয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

বর্তমান বাজারে ব্যাপকভাবে নতুন ধানের ক্রয়-বিক্রয় চলছে। কৃষকরা তাদের ধান নছিমন, মিনি ট্রাক ও ভ্যান গাড়িতে করে হাটে বাজারে নিয়ে আসছেন। পাশাপাশি অনেকেই বাড়ি থেকেও ধান বিক্রি করছেন। 

বৃহস্পতিবার সরেজমিনে, কাটারিভোগ জাতের ধান প্রতি মণ ১০৫০ থেকে ১১৫০ টাকা, ৪৯ ও ৫১ জাতের ধান ১০০০ থেকে ১১০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করতে দেখা গেছে। কৃষকরা জানান, ধানের এমন দামে তারা খুশি। 

রণবাঘা হাটে ধান বিক্রি করতে আসা কৃষক আশরাফুল ইসলাম জানান, ৩০ মণ কাটারিভোগ ধান বিক্রির জন্য এনেছি। ব্যাপারীরা ১১২০ টাকা মণ দাম বলছে। ১১৫০ টাকা হলে বিক্রি করবো। 

আরও পড়ুন: সিলেটে ৫০ হাজার গ্রাহক এখনও বিদুতহীন

কৃষক রেজাউল করিম জানান, ধানের দাম ভালোই আছে। তবে ফলন কম হয়েছে। কৃষক এই দামে আমন ধান বিক্রি করতে পারলে কিছুটা লাভের মুখ দেখতে পারবে।  

নন্দীগ্রাম উপজেলা কৃষি অফিসার আদনান বাবু জানান, উপজেলায় ১৯ হাজার ৩৭৫ হেক্টর জমিতে কৃষকরা রোপা আমন ধান চাষ করেছেন। এখন উপজেলায় পুরোদমে ধান কাটা-মাড়াইয়ের কাজ চলছে। আমন মৌসুমে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৪ হাজার ২৮১ মেট্রিক টন। তবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হবে আশা করছি।

ইত্তেফাক/এসি