নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা
নাগেশ্বরীতে ফেসবুকে সরব হয়ে উঠেছেন আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আগ্রহী ও সম্ভাব্য প্রার্থীরা। দলীয় মনোনয়ন পেতে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রতিশ্রুতির স্ট্যাটাস দিয়ে চালাচ্ছেন প্রচারণা। এ নিয়ে চলছে বিস্তর আলোচনা। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পরে জাতীয় নির্বাচনের দলীয় প্রতীকে প্রথম অনুষ্ঠিত হবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। তাই মৌন সমর্থন নয়, মনোনয়ন নিয়ে দলীয় প্রতীকেই নির্বাচন করতে হবে প্রার্থীদের। ফলে দলীয় মনোনয়ন পেতে শুরু হয়ে গেছে প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ। দলীয় নীতি নির্ধারকের মনোযোগ আকর্ষণে অনেকেই দিচ্ছেন ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ড। উপজেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের সাথে তারা যোগ দিচ্ছেন বিভিন্ন সভা-সেমিনারসহ সামাজিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে। এর বাইরেও তারা প্রচার চালাচ্ছেন জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। বর্তমানে প্রত্যন্ত গ্রামেও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনেক। তাই খুব সহজেই ফেসবুক ব্যবহারকারীদের চোখে পড়ছে আগ্রহী ও সম্ভাব্য প্রার্থীদের স্ট্যাটাস। যা সাড়া ফেলেছে সাধারণ মানুষের মাঝে।
ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়া সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা অনেক বড় আওয়ামী লীগে। তারা হলেন: আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জেলা পরিষদ সদস্য কাজী নাজমুল হুদা লাল, যুগ্ম সম্পাদক জেলা পরিষদ সদস্য মোস্তফা জামান, সদস্য মোখলাইলুর রহমান রাইটার প্রধান, জেলা কৃষকলীগ সভাপতি মজিবর রহমান বীরবল, আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সাবেক উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেলা পরিষদ সদস্য লাভলী বেগম, সদস্য এসএম রওশন আলম, সন্তোষপুর ইউপি চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী লাকু এবং সদ্য দলে যোগ দেয়া সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ ব্যাপারী। জাতীয় পার্টির সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান উপজেলা যুব সংহতির সচিব আ.খ.ম ওয়াজিদুল কবির রাশেদ। এদিকে উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম রসুল রাজার নাম শোনা গেলেও তিনি এখনও প্রচার প্রচারণা শুরু করেননি। দলীয়ভাবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিলে তিনি একমাত্র প্রার্থী হতে পারেন বলে জানা গেছে।
