ভিয়েতনাম মিশনে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর ২০২০, ১৮:১৪

ভিয়েতনামের হ্যানয়ে যথাযোগ্য মর্যাদা এবং বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও ম্যাসেজ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ, দোয়া ও মোনাজাত, দূতাবাসে বঙ্গবন্ধু কর্নার উদ্বোধন,  আলোচনা অনুষ্ঠান এবং ডকুমেন্টারি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

ভিয়েতনামে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মিজ সামিনা নাজ সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের সূচনা করেন। দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সপরিবারে এবং ভিয়েতনামে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য অতিথিরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী এবং বিজয় দিবসের প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে রাষ্ট্রদূত মিস সামিনা নাজ, বিশেষ অতিথি ডিপ্লোমেটিক কোরের ডিন ও প্যালেস্টাইনের রাষ্ট্রদূত ও ভিয়েতনাম পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিদের-কে নিয়ে দূতাবাসে বঙ্গবন্ধু কর্নারের শুভ উদ্বোধন করেন।

পরে বাংলাদেশ দূতাবাস-এর কনফারেন্স রুমে বিজয় দিবসের তাৎপর্য উল্লেখ করে এক বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠান ও মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ডিপ্লোম্যাটিক কোরের ডিন ও প্যালেস্টাইনের রাষ্ট্রদূত সাদি সালামা ও ভু ভান মিন ডেপুটি ডাইরেক্টর জেনারেল, ভিয়েতনাম পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী বাংলাদেশি, ভারত, শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রদূতসহ ভিয়েতনামের ডিপ্লোম্যাটিক কোরের সদস্যবৃন্দ, ভিয়েতনাম পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চ-পদস্থ কর্মকর্তা, ভিয়েতনাম টিভি চ্যানেলের প্রতিনিধি ও অন্যান্য মিডিয়া,  ব্যবসায়ী প্রতিনিধিবৃন্দসহ বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ  উপস্থিত ছিলেন। 

রাষ্ট্রদূত মিজ সামিনা নাজ আগত অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তব্যের শুরুতে বাংলাদেশের ইতিহাসে এ দিবসের তাৎপর্য এবং বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবিসংবাদিত নেতৃত্বের কথা  তিনি সশদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, দূতাবাসে মুজিব শতবার্ষিকীর অবদান হিসেবে  বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপনের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক. সামাজিক ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নানামুখী কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন দিক তুলে ধরার প্রয়াস গ্রহণ করা হয়েছে। 
বিশেষ অতিথি ডিন বঙ্গবন্ধুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন এবং বলেন, বঙ্গবন্ধু কর্নারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু যে অবিচ্ছেদ্য অংশ তা  বঙ্গবন্ধুর কর্মজীবনের সার্বিক চিত্রে ফুটে উঠেছে যা আজকের নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা যোগাবে বলে মনে করেন। তিনি তার বক্তব্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন। 

 

ইত্তেফাক/ইউবি