বইপাঠ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া রাজধানীর পলাশপুরের অনির্বাণ পাঠাগারের শিক্ষার্থীদের মাঝে সনদ, চেক ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। মুজিববর্ষে ‘পড়ি বঙ্গবন্ধুর বই, সোনার মানুষ হই’ প্রতিপাদ্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করছে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র।
সোমবার পাঠাগারটিতে আঞ্চলিক পুরস্কার বিতরণীর এবারের পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক মিনার মনসুর।
তিনি বলেন, ‘আমরা বড় বড় দালান-অট্টালিকা চাই না। আমাদের পাঠাগার প্রয়োজন, যেখানে মানুষ বই পড়বে, জ্ঞানের প্রসার হবে। বই পড়ার বিকল্প নেই। আর তাই আমাদের প্রতিটি পাড়ায়-মহল্লায় পাঠাগার গড়ে তুলতে হবে।' পাঠাগার আন্দোলনকে বেগবান করতে অ্যাপার্টমেন্ট ভিত্তিক পাঠাগার চালুরও পরামর্শ দেন তিনি।
পুরস্কার পাওয়া শিক্ষার্থীদের শুভকামনা জানিয়ে অনির্বাণ পাঠাগারের সভাপতি রুহুল আমিন সুজন বলেন, বঙ্গবন্ধুর বই পড়ে তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সোনার বাংলা গঠনে শিক্ষার্থীদের নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরো ছিলেন ইয়ুথ এমপাওয়ারমেন্ট ফ্যাসিলিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর কাজী হাসান রবিন ও দনিয়া পাঠাগারের সভাপতি মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ প্রমুখ।
জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের তিন মাসব্যাপী এ প্রতিযোগিতায় মাধ্যমিক শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা ‘কারাগারের রোজনামচা’ আর বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা ‘আমার দেখা নয়াচীন’ বইপাঠে অংশ নেয়।
এ পাঠ কার্যক্রমে অনির্বাণ পাঠাগারসহ রাজধানীর দশটি পাঠাগারের ১৫০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। গত ২০ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয়ভাবে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র মিলনায়তনে তাদের মধ্যে সেরা ২১ জন শিক্ষার্থীর হাতে সনদ ও পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। অনির্বাণ পাঠাগারের নাফিস উল্লাহ সেরাদের একজন। কেন্দ্রীয়ভাবে সেরাদের পুরস্কার বিতরণের পর ধারাবাহিকভাবে পাঠাগারগুলোতে আঞ্চলিক পুরস্কার দিচ্ছে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র।
ইত্তেফাক/জেডএইচ
