নিজের প্রথম ও তৃতীয় ওভারে উইন্ডিজের দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে দিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। প্রথমে উইকেটকিপার মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান কিজর্ন ওটলে (১)। পরে দলীয় ৩০ রানে সুনীল অ্যামব্রিসকে (১৩) এলবিডাব্লিউ-এর ফাঁদে ফেলেন মাঠছাড়া করেন মোস্তাফিজ।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত উইন্ডিজের সংগ্রহ ১০ ওভারে ২ উইকেটে ৪৪ রান। নিকরুমাহ বোনার ১৪ ও কাইল মায়ার্স ১০ রানে অপরাজিত আছেন।
আরও পড়ুন: চার অর্ধশতকে বাংলাদেশের বড় সংগ্রহ
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে উইন্ডিজের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই লিটন দাসকে হারায় বাংলাদেশ শিবির। ওভারের পঞ্চম বলটা কম গতির ফুলার লেন্থে দিয়ে পরাস্ত করেন লিটনকে। লাইন মিস করে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে তিনি ফিরে যান শূন্য রানে। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে অধিনায়ক তামিমের সঙ্গী হিসেবে আসেন নাজমুল হোসেন শান্ত। গত ম্যাচের মত এ ম্যাচেও বেশিদূর এগোতে পারেননি তিনি। ব্যক্তিগত ২০ রানে মায়ার্সের বলে কাটা পড়েন। এরপর তামিমের সঙ্গে জুটি বাঁধেন সাকিব আল হাসান। দুজন মিলে গড়েন ৯৩ রানের জুটি। ঘরের মাঠে এক প্রান্ত আগলে রেখে তামিম তুলে নেন ব্যক্তিগত ৪৯তম এবং উইন্ডিজের বিপক্ষে অষ্টম হাফসেঞ্চুরি। তবে এরপর এগোতে পারেননি বেশিদূর। ৬৪ রানেই থমকে যায় তামিমের ইনিংস। জোসেফের বলে আউট হয়ে ফিরে যান তিনি।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে বাংলাদেশ-উইন্ডিজ দল
তামিমের বিদায়ের পর সাকিবকে সঙ্গ দিতে নামেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল খ্যাত মুশফিকুর রহিম। এরপর দলীয় ১৭৯ রানের মাথায় রেইফারের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ব্যক্তিগত অর্ধশত পূরণ করেন তিনি। মাহমুদউল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে ৭০ দলীয় ৭০ রানের জুটি গড়েন মুশফিক। উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম ব্যক্তিগত ৬৪ রানের মাথায় রেইফারের বলে আউট হলেও মাহমুদউল্লাহ ইনিংসের বাকি সময়টুকু সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। তিনিও ৬৪ রানে অপরাজিত থাকেন। ৫০ ওভার শেষে টাইগারদের দলীয় সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৯৭ রান।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আলজারি জোসেফ ও রেমন রেইফার নেন দুটি করে উইকেট ও কাইল মায়ার্স নেন একটি উইকেট।
ইত্তেফাক/ইউবি
