ঈশ্বরগঞ্জে মাছ ধরার উপকরণ বিক্রির ধুম

আপডেট : ০৬ জুলাই ২০২১, ১৩:০০

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে বর্ষা মৌসুম শুরুর সাথে সাথে বিভিন্ন হাট বাজারে ছোট মাছ ধরার উপকরণ বিক্রির ধুম পড়েছে। উপকরণগুলোর মধ্যে রয়েছে উনিয়া, ভাইর, চাবি(ছোট পলো), পেঁচা, খালই, ইত্যাদি।

বাঁশ বেতের কুটির শিল্প কারিগররা এসব উপকরণ তৈরি করে বাজারে বিক্রি করে অর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার প্রায় ২ শতাধিক পরিবার বাঁশের তৈরি কুটির শিল্পের কাজ করে সারা বছর জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। অনেকেই এ পেশা করে স্বাবলম্বী হয়েছেন।

No description available.

কুটির শিল্পের দক্ষ কারিগর আব্দুল গণি বলেন, মোরাল বাঁশের শলা, তালের আঁশ, লাইলং সুতা, ও গুনা তার দিয়ে  উনিয়া, ভাইর, চাবি), পেঁচা, খালই ইত্যাদি তৈরি করতে হয়। একটি ছোট উনিয়া তৈরি করতে খরচ হয় ১০০ থেকে ১৫০টাকা, বিক্রি হয় ২০০ থেকে ২৫০টাকা। একটি বড় উনিয়া তৈরি করতে খরচ হয় ২০০ টাকা, বিক্রি হয় ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। ভাইর ১০০ থেকে ১৫০টাকা ও চাবি ৩০০ টাকা। মাছ ধরার উপকরণের পাশাপাশি কারিগররা ডালা, কুলা, খাঁচা, চালুন, ওড়া (মাটি কাটার টুকরী), খালই বিক্রি করছে দেদারছে।

বিশ্বনাথপুর গ্রামের কুটির শিল্পী হাবিবুর রহমান, আব্দুল মোতালেব, চরসৈয়দভাকুরী গ্রামের জয়নাল আবেদীন জানান, বাজারে আষাঢ় থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত এসব উপকরণ বেশি বিক্রি হয়ে থাকে। এই তিন মাস উপকরণ বিক্রি করে কারিগররা মোটা অংকের টাকা আয় করে থাকেন। এ আয়ের সাথে বছরের বাকী সময় যে বেচা-কেনা হয় তা মিলিয়ে পরিবারের ভরণ-পোষণ ভালভাবেই চলে।

ইত্তেফাক/এমআর