রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) অন্তত ৫০টি গাছ কেটে ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে ১৫টি গাছ কাটাও হয়েছে। গাছগুলোর বেশিরভাগই অর্ধ শতবর্ষীর বেশি পুরনো বলে জানা গেছে। এদিকে গাছ কাটার প্রতিবাদে রুয়েটের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে পরিবেশ স্থানীয় আন্দোলনের কর্মীরা।
এসময় তারা বলেন, রাজশাহীতে একের পর এক সরকারি ও আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানে নির্বিচারে গাছ কাটা হচ্ছে। যেই গাছগুলোর বয়স নূন্যতম ৫০ বছর। এতে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হবার পাশাপাশি অনেক প্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস হচ্ছে। গাছ কেটে ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে রুয়েট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তারা। মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিশিষ্ট পর্যটক ও পরিবেশ কর্মী তানভীর অপু বক্তব্য রাখন।

তবে রুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম সেখ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রদত্ত ছয়শ’ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ক্যাম্পাসে ১৪টি একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন নির্মাণের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়েছে। ফলে সামান্য কিছু গাছ কাটা পড়বে। উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চাইলে তো এটুকু ছাড় আমাদের দিতেই হবে। বিষয়টি পরিবেশ অধিদপ্তর ও বনবিভাগকে যথাসময়ে অবহিত করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে রুয়েটে কয়েক হাজার নতুন গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। আরও কয়েক হাজার গাছের চারা রোপণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সুতরাং গাছ কাটা যাবে না, শুধু এমন নয়, একটি গাছ কাটলে অন্তত একশ গাছ লাগাতে হবে। তাহলেই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হবে বলেও জানান তিনি।
ইত্তেফাক/এসআই
