স্টাফ রিপোর্টার, দিনাজপুর
দিনাজপুরে অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে সবজির দাম। বাজারে বাড়তি দামে সবজি কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষ। তবে অন্যান্য সবজির তুলনায় বাজারে শুধু কচু, আলু ও পেঁপের দাম কম থাকায় বাধ্য হয়েই বাজার থেকে এসব সবজি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। দিনাজপুর শহরের প্রধান সবজির বাজার বাহাদুরবাজারে রবিবার দেখা গেছে, বাজারে কচু, আলু ও পেঁপে বাদে প্রায় এক মাসের ব্যবধানে প্রতিটি সবজির দাম কেজিপ্রতি বেড়েছে পাঁচ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত। আর কোনো কোনো সবজির দাম আগে থেকেই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। প্রায় এক মাস আগে ৩৫ টাকা কেজির বেগুন এখন বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়, ২০ টাকার কাঁকরোল ৩০ টাকা, ২৫ টাকা কেজির করলা ৪০ টাকা এবং ৩০ টাকা কেজির ঝিঙা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি দরে। এছাড়াও পটোল ৩০ টাকা, দেশি শসা ৯০ টাকা, হাইব্রিড শসা ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে দাম কমেছে কচু, আলু ও পেঁপের। প্রতি কেজি কচু বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকা, পেঁপে ১৫ টাকা, দেশি আলু ২০ টাকা দরে, ডায়মন্ড এবং কার্ডিনাল আলু বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকা কেজি দরে।
বাহাদুরবাজারে বাজার করতে আসা মনসুর আলী জানান, এমনিতেই সয়াবিন তেল, চিনিসহ সব নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়েছে। স্বল্প আয় দিয়ে পরিবারের প্রয়োজন মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তার ওপর বাজারে প্রায় সব সবজির দাম বেড়েছে। কিন্তু খেতে তো হবে। তাই কচু, আলু আর পেঁপে কিনেই বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। বাহাদুরবাজারের সবজিবিক্রেতা আল আমিন জানান, তাদের পাইকারদের কাছ থেকে বেশি দামে কিনতে হয়। তাই বেশি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে। দাম বেশি হওয়ায় অনেক ক্রেতাই দাম শুনে চলে যাচ্ছে। নিম্ন আয়ের মানুষ বেশির ভাগ সবজিই কিনতে পারছে না বলে জানান তিনি। একই বাজারের পাইকারি বিক্রেতা মো. রানা জানান, অতিবৃষ্টি ও বিভিন্ন স্থানে বন্যা হওয়ায় সবজির সরবরাহ কমেছে। আর সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে বলে জানান তিনি।
