বয়স যত বাড়ছে টেনশন তত পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলেছে। অফিসে কাজের চাপ, বাড়িতে অশান্তি কিংবা সম্পর্কে টানাপোড়েন, পারিবারিক দায়বদ্ধতা সামলাতে দিনরাত ছুটে চলায় টেনশন যেন আজকাল সবার নিত্য সঙ্গী।
কারো নিজের ভবিষ্যতের চিন্তা, কারো সন্তানের-টেনশন যেন পিছু ছাড়ছে না কাউকে। চিকিৎসকরা সব সময় টেনশন করতে বারণ করেন। কারণ টেনশনে হতে পারে বিভিন্ন রোগ। তবে যদি হাইপার টেনশন কমাতে চান, উপায় কিন্তু হাতের নাগালেই আছে। বিশ্বাস হচ্ছে না তো! হাইপার টেনশনের সমস্যার সমাধানে পাঁচ রকমের চা একেবারেই দারুণ ওষুধ। চলুন জেনে নেওয়া যাক সে সব চায়ের নামগুলো।
তুলসি চা
ঠান্ডা লাগা, সর্দি-কাশির নিরাময়ে তুলসি পাতা দারুণ কাজ দেয়, এ বিষয়টি মোটামুটি সবারই কমবেশি জানা। কিন্তু তুলসি পাতা হাইপার টেনশনের ক্ষেত্রেও দারুণ কাজ করে। তাই চা পাতার সঙ্গে তুলসি পাতা মিশিয়ে নিয়ে পানি ফুটিয়ে নেবেন। এই চায়ে চিনি ব্যবহার করবেন না।
অশ্বগন্ধা চা
চায়ের সঙ্গে ফুটিয়ে নিন অশ্বগন্ধা গাছের পাতা। কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। উপকার পেতে হলে এই চায়ের সঙ্গে চিনি মেশাবেন না। তবে শুধু এই গাছের পাতা নয়, ফুল, ছালও ব্যবহার করতে পারেন। রাতে শোয়ার আগে এই চা খেলে ভালো ঘুম হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
দারুচিনি চা
গরম পানিতে কয়েকটি দারুচিনি ফুটিয়ে নিন। এরপর এর মধ্যে চা পাতা মিশিয়ে নেবেন। নিয়মিত এই চা পান করলে টেনশন দূর হবে।
গ্রিন টি
বাজারে এখন গ্রিন টি সহজলভ্য। ইচ্ছে করলে সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন। গ্রিন টি যেমন আপনার হাইপার টেনশন কমাতে সাহায্য করবে, তেমনি শরীরে মেদ কমাতেও কাজে লাগবে।
তবে হাইপার টেনশন দূর করতে হলে শুধু চা পান করলে হবে না। সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন দরকার। যেমন বেশি রাত জাগবেন না, অতিরিক্ত মোবাইল ফোন দেখবেন না, যতটা পারবেন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নিজেকে দূর রাখার চেষ্টা করুন, যোগ ব্যায়াম করুন। দেখবেন দ্রুত হাইপার টেনশন থেকে মুক্তি পাবেন।
