পঞ্চাশের পর শরীরচর্চায় অনেক বদল আনতে হয়। এই সময় শরীরে নানা রকমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেকেই ডায়াবেটিস, হার্টের সমস্যা, আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত হোন। পাশাপাশি দেখা দেয় ওবেসিটি। তাই কোন ধরনের এক্সারসাইজ করবেন সে বিষয়ে সর্তক থাকতে হবে।
সবচেয়ে ভালো হয় কোনো একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে ওয়ার্কআউটের প্ল্যান করলে। তাছাড়া এই বয়সে অনেক সময়ই অবসাদ ঘিরে ধরে। তাই শরীরচর্চার পাশাপাশি গুরুত্ব দিতে হবে মানসিক স্বাস্থ্যের দিকেও। কিন্তু অনেকেই আছেন, যারা একঘেয়ে এক্সারসাইজে মোটিভেশন পান না। সেজন্য তাদেরকে বেছে নিতে হবে পছন্দের কোনো এক্সারসাইজ।
যেমন ধরুন ফান বক্সিং। হয়তো তিনি বক্সিং পারেন না, শুরু করা যেতে পারে শুধু হাত ছুড়ে। যারা খেলা ভালোবাসেন তারা বল দিয়ে ওয়ার্কআউট, যেমন বল ড্রপ খাইয়ে জগিং করতে পারেন। এ ধরনের এক্সারসাইজে ব্রেনের সঙ্গে চোখ, হাত শরীরের নানা অংশের কো-অর্ডিনেশন বেশি হওয়ায় এক্সারসাইজের মধ্যে আনন্দ খুঁজে পাওয়া যায়। তাই ওয়র্কআউট যত ইন্টারেস্টিং হবে তত ভালো কাজ হয় এবং চিন্তাভাবনা পজিটিভ হয়।
এক্সারসাইজের পাশাপাশি বেশ কিছুটা সময় দেবেন রিল্যাক্সেশনের জন্য। খুব ভালো হয় যদি সমবয়সীরা একটা গ্রুপ করে এক্সারসাইজ করতে পারেন। এতে অনেক বেশি উৎসাহ পাওয়া যায়।
যেকোনো ধরনের ওয়র্কআউট করার সময় ঘরে মিউজিক চালিয়ে নিতে পারেন, এতে ওয়ার্কআউট করতে আরও বেশি ভালো লাগবে। আসলে আপনি যে কাজই করুন না কেন, সেখানে আনন্দ খুঁজে পাওয়া খুব বেশি দরকার। শরীরচর্চাকে উপভোগ করুন, তাহলে পঞ্চাশের পরেও থাকবেন প্রাণবন্ত।
