নতুন জুতো পায়ে অস্বস্তি হবে এমনটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যন্ত্রণাকে তো আর স্বাভাবিকের মাত্রায় বিচার করা সম্ভব না। নতুন জুতো পায়ে দিলেই এই সমস্যা হয়। অনেকের ক্ষেত্রে এই সমস্যা ঘায়ের দিকে এগিয়ে যায়। এখন উপায় কি? জুতো পায়ে যন্ত্রণা ভোগ করা? নাকি ফোসকা থেকেও মুক্তির পথ আছে? আছে তো বটেই।
কিছু পদ্ধতি মেনে চললে নতুন জুতোর যন্ত্রণা থেকেও মুক্তি পেতে পারবেন। সেগুলো কি? চলুন জেনে নেই।
অ্যালোভেরা
পায়ে ফোসকা পড়লে অ্যালোভেরা একটি সহজ পদ্ধতি। কারণ অ্যালোভেরাতে এন্টিসেপটিক আছে। ফলে পায়ের ক্ষত বা ফোস্কা সহজেই সাড়াতে পারে। আপনি চাইলে অ্যালোভেরা জেল কিনে নিতে পারেন। সেটাও একটা ভালো উপায়।
টুথপেস্ট
ফোসকা পড়লে জ্বলুনি থেকে ছাড়া পাওয়া মুশকিল। আর ক্ষত দ্রুত না শুকোলে ফোসকা আরো জ্বালাতন করে। সেক্ষেত্রে টুথপেস্ট ব্যবহার করুন। টুথপেস্ট ব্যবহারে ক্ষত দ্রুত শুকোতে শুরু করে। তাছাড়া টুথপেস্টের ঠাণ্ডা উপকরণ কিছুটা আরাম দেয়।
নারকেল তেল
পায়ে ফোসকা পড়লে নারকেল তেল ব্যবহার করুন। এতে ফোসকা শুকিয়ে যাবে আস্তে আস্তে। নতুন জুতো পায়ে দেয়ার আগেও নারকেল তেল দিয়ে মালিশ করে নিতে পারেন। তবে বেশি ব্যবহার করবেন না।
মধু
মধু ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থেকে বাচায়। আপনার পায়ে ফোসকা পড়লে মধু সাথে সাথেই ব্যবহার করুন। এতে ফোসকা বড় হবেনা বা তাতে ক্ষত হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।
গ্রিন টি
গ্রিন টিতে এন্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান আর এন্টি-অক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। তাই ফোসকা পড়ার পর গ্রিন টি ব্যবহার করুন। তবে গরম গরম গ্রিন টি না। প্রথমে ঠাণ্ডা পানিতে গ্রিন টি ব্যাগ ভিজিয়ে নিন। সেই পানি ফোসকায় ব্যবহার করুন। টি ব্যাগটি ফেলে দিবেন না। ব্যবহার শেষে ব্যাগটি ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন। পরবর্তীতে ফোসকায় ব্যাগ ব্যবহার করলে আরাম পাবেন।
