বংশানুক্রমিক ভাবে পরিবারের শিশু সদস্যরাও থাকে ডায়াবেটিস ঝুঁকিতে। তাই পরিবারেও কেও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়ে থাকলে যন্ত্রণাদায়ক এ রোগ থেকে শিশুকে বিরত রাখতে সতর্ক হতে হবে। পরিবর্তন আনতে হবে জীবনধারায়।
শরীর চর্চা
আজকাল ইট কাঠের এই বদ্ধ শহুরে দুনিয়ায় শিশুদের বিকেলে খেলার ফুসরত মেলে না। তাই তাদের কোমল চোখ বরাবরই লেগে থাকে টেলিভিশন কিংবা মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে। এমনই যদি হয়ে থাকে আপনার শিশুর ক্ষেত্রেও তবে এখনি সচেতন হোন। শিশুকে সুস্থ রাখতে এবং সঠিক মানসিক বিকাশে তাকে প্রতিদিন অন্তত এক ঘণ্টা দৌড়ঝাঁপ খেলায় ব্যস্ত রাখুন।
ওজন নিয়ন্ত্রণ
বয়স অনুযায়ী যদি আপনার শিশুর একটু বেশি ওজন বেড়ে গিয়ে থাকে তাহলে সেটি নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। কেননা এতেও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে একটি ডায়ের চার্ট তৈরি করে নিন। সঠিকভাবে জেনে নিন কত বয়সে কত ওজন এবং উচ্চতা হওয়া উচিত।
মিষ্টিতে বাধা দিন
চকলেট পেলেই শিশু সব বায়না ভুলে যায়? চকলেট থেকে শুরু করে যাবতীয় নানা মিষ্টান্ন অতি পছন্দ হয়ে থাকে বাড়ির খুদে সদস্যদের। কিন্তু এক্ষেত্রে অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে যেন শিশু অতিরিক্ত মিষ্টি না খেয়ে ফেলে।
নিয়ম মেনে খাওয়ান
জাঙ্কফুডের অভ্যাস ছাড়িয়ে শিশুকে নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানোর অভ্যাস করুন। সেই সাথে সকালের খাবারে রাখুন অবশ্যই ফল। এবং সেই সাথে অবশ্যই প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় পর পর শিশুর খাওয়ানোর অভ্যাস করুন। এতে শিশু ডায়াবেটিস থেকে শুরু করে হজমজনিত সমস্যা থেকে দুরে থাকবে।
