ইভটিজিংয়ের অভিযোগে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) বাংলা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শরীফ রাজুকে একই বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তুফান চৌধুরী মারপিট ও হাতুড়িপেটা করার অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন সোবহান সড়ক এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থী বর্তমানে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
হামলার বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী মোনায়েম হোসাইন মুন্না বলেন, "শরীফ রাজুসহ আমরা কয়েকজন নিজেদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলতে বলতে এক পরিচিত ভাইয়ের মেসে কিছু প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আনতে যাচ্ছিলাম। সেসময়ে আমাদের পাশে এক অপরিচিত মেয়ে ছিল। মেয়েটিকে নিয়ে আমরা কোন ধরনের আলোচনা করিনি। কিন্তু মেয়েটি মেসের মালিককে ডেকে নিয়ে আসে এবং অভিযোগ করে আমরা তাকে অনুসরণ করছি। আমরা এমন কিছুই করিনি বলে জানাই। বিষয়টি বুঝে মেস মালিক আমাদের চলে যেতে বলেন। কিন্তু ফেরার সময়ে মেস মালিকের বড় ছেলে মোরশেদ চৌধুরী ছুটে এসে রাজুকে কিল-ঘুষি মারতে শুরু করে।"
"একপর্যায়ে মোরশেদ চৌধুরীর ছোট ভাই বাংলা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী তুফান চৌধুরীও একটি হাতুড়িসহ ছুটে এসে রাজুকে এলোপাথাড়ি মারতে শুরু করে। আমরা তাদের প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হয়ে শিক্ষকদের জানাই। পরবর্তীতে শিক্ষকেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে রাজুকে উদ্ধার করে।"
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. রাজিউর রহমান বলেন, "আমরা এ ঘটনায় তিনজন প্রত্যক্ষদর্শী এবং একজন ছাত্রীসহ চারজনের বক্তব্য গ্রহণ করেছি। আহত শিক্ষার্থী বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থার কিছুটা উন্নতি হওয়ার পর তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে এ ঘটনায় প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
