এমএসবি একাডেমির সুবাদে আন্তর্জাতিক মানের কোর্স

আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:৫৭

স্কিল ডেভলপমেন্ট বর্তমান বিশ্বের সাথে তাল মিলয়ে চলার জন্য একজন শিক্ষার্থী হতে শুরু করে চাকরিজীবী কিংবা ব্যবসায়ী সকলের ক্ষেত্রেই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বৈশ্বিক অতিমারি কোভিড-১৯ এর কারণে অনলাইন ভিত্তিক কাজ পরিচালনা হচ্ছে সারাবিশ্ব জুড়ে। তাই এখন যে কেউই যে কোনো সময় বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে বসে ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নিজের কাঙ্খিত বিষয়ের উপর জ্ঞান অর্জন করতে পারেন। বর্তমান সময়ের বাংলা ভাষায় জনপ্রিয় ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে এমএসবি একাডেমি।

এমএসবি একাডেমি বর্তমান সময়ে বাংলা ভাষায় সর্বোচ্চ জনপ্রিয় ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্মগুলোর মধ্যে অন্যতম। বাংলা ভাষায় আন্তর্জাতিক মানের কোর্স প্রদান করার লক্ষ্যে নিয়ে কাজ শুরু করে একাডেমিটি। দেশের প্রেক্ষাপটে স্কিল ডেভলপমেন্ট এর সকল প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারায় কাজ শুরু করে এমএসবি একাডেমি। ২০১৮ সালে মাসুক সরকার বাতিস্তা জনপ্রিয় ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম এমএসবি একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন।

মাসুক সরকার বাতিস্তা ইউডেমি এবং স্কিলশেয়ার প্ল্যাটফর্মের বেষ্ট সেলিং ইন্সট্রাক্টর এবং একইসাথে বেশ কয়েক বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন। তার ইউটিউব চ্যানেলের বর্তমান সাবস্ক্রাইবার সংখ্যা প্রায় লক্ষাধিক। বাংলা ভাষায় সাশ্রয়ী মূল্যে আন্তর্জাতিক মানের কোর্স প্রদানের মূল লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে মাসুক সরকার এবং তার প্রতিষ্ঠান এমএসবি৷ বর্তমানে দেশ সেরা এক্সপার্টরা কোর্স পরিচালনা করছে একাডেমিটিতে। ২০১৮ সাল থেকে শুরু করে ৩ বছর সফলতার সাথে একাডেমি পরিচালনার পর এমএসবি বর্তমানে দেশের সেরা ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম গুলোর মধ্যে অন্যতম হিসেবে মর্যাদা অর্জন করেছে।

ছবি: সংগৃহীত

এমএসবি একাডেমির পেইড কোর্সে এখন পর্যন্ত রয়েছে প্রায় ৬০,০০০+ শিক্ষার্থী আর অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে যুক্ত রয়েছে প্রায় তিন লক্ষাধিক শিক্ষার্থী।

এমএসবি একাডেমি আন্তর্জাতিক মানের কোর্স প্রদানের পাশাপাশি আয়ের এক বিশাল সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে ঘরে বসেই ৫-৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করার সুযোগ রয়েছে। অনলাইনে এমএসবি একাডেমির কোর্স রেফার করার মাধ্যমে আয় করতে পারবে যে কেউই।

দেশের ৬৪ জেলার মানুষের কাছে আন্তর্জাতিক মানের কোর্স ছড়িয়ে দিতে চায় এমএসবি একাডেমি। আর সেই লক্ষে এই প্লাটফর্মটির সাথে যুক্ত সবাই প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে।

ইত্তেফাক/বিএএফ