আয়োডিন দেহের জন্যে প্রয়োজনীয়। আমাদের দেহের মেটাবোলিজম এবং থাইরয়েড হরমোন উৎপাদনে এর ভূমিকা অপরিসীম৷ কিন্তু আয়োডিনের অভাবে ভুগলে বোঝার উপায় কি?
এমনিতে খাবার লবণ কমানোর কথা বলেন অনেকে। তাই হয়তো অনেকেই আয়োডিন স্বল্পতায় ভুগতে পারেন। বুঝবেন কিভাবে তাহলে? আসুন জেনে নেয়া যাক:
ক্লান্তি বা অবসাদ
আয়োডিন দেহের প্রতিটি কোষেই অবস্থান করে। আর এই উপাদানের জোগান কম থাকলে থাইরয়েড উৎপাদন ব্যাহত হয়। এতে দেহ কর্মক্ষম থাকতে পারেনা। তাই ক্লান্তি বা অবসাদ কাজ করে।
ত্বক, চুল ও ঠাণ্ডায় কাতর
আয়োডিনের অভাব থাকলে ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়। চুল পাতলা হতে শুরু করে। এমনকি শীত শীত ভাব বেশি কাজ করে।
কর্মক্ষমতা কমে
আয়োডিনের অভাব মানসিক স্বাস্থ্যেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ফলে কোনো কাজে ভুলচুকের পরিমাণ বাড়ে।
গলগণ্ড
আয়োডিনের অভাবে গলগণ্ড রোগ দেখা দেয়। প্রসেস করা লবণে আয়োডিন বেশ কম থাকে৷ তাই গলগণ্ড রোদের প্রাদুর্ভাবে লবণ খেলে লাভ হয়না। ফলে নিঃশ্বাস নিতে সমস্যা হয়।
গর্ভাবস্থায় সমস্যা
গর্ভাবস্থায় থাইরয়েড হরমোন জরুরী। আর এই সময়ে আয়োডিনের স্বল্পতা থাকবে সেটাই স্বাভাবিক।
