সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সরকারদলীয় ইসাহাক হোসেন তালুকদার সিরাজগঞ্জ জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় বিভিন্ন খাতে ঘুষ ও চাঁদাবাজির অভিযোগ করেছেন। তাঁর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন।
সোমবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় ইসাহাক হোসেন তালুকদার ঘুষ ও চাঁদাবাজির অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ‘রায়গঞ্জ উপজেলার চান্দাইকোনা বাসস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজেরা পুলিশের সহযোগিতায় নছিমন, করিমন ও টেম্পো থেকে দেদার চাঁদা আদায় করছে। একই সঙ্গে তাড়াশ ও রায়গঞ্জ সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয় ঘুষের রাজ্যে পরিণত হয়েছে। বিষয়টি আমি আগেই স্থানীয় পুলিশ এবং সরকারি কর্মকর্তাদের জানিয়েছি। কিন্তু কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে চাঁদা ও ঘুষ গ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’
তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশ সুপারকে এবং সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়ের বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও জেলা রেজিস্ট্রারকে নির্দেশ দেন।
সোমবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় ইসাহাক হোসেন তালুকদার ঘুষ ও চাঁদাবাজির অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ‘রায়গঞ্জ উপজেলার চান্দাইকোনা বাসস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজেরা পুলিশের সহযোগিতায় নছিমন, করিমন ও টেম্পো থেকে দেদার চাঁদা আদায় করছে। একই সঙ্গে তাড়াশ ও রায়গঞ্জ সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয় ঘুষের রাজ্যে পরিণত হয়েছে। বিষয়টি আমি আগেই স্থানীয় পুলিশ এবং সরকারি কর্মকর্তাদের জানিয়েছি। কিন্তু কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে চাঁদা ও ঘুষ গ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’
তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পুলিশ সুপারকে এবং সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়ের বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও জেলা রেজিস্ট্রারকে নির্দেশ দেন।
