১৪ বছর আগে এই দিনে মেসি নাম লিখিয়েছিলেন বার্সেলোনায়। মেসির বয়স তখন ছিল মাত্র ১৩ বছর। সেই মেসি আজ শুধু বার্সেলোনা নয়, ফুটবল ইতিহাসের অলৌকিক সব কীর্তির জন্ম দিয়ে সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়।
এই উপলক্ষে নিজের ফেসবুক পেজে মেসি বার্সায় তাঁর প্রথম পরিচয়পত্রটির ছবি প্রকাশ করেছেন। ছবির সঙ্গে মেসি লিখেছেন, ‘২০০০ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর আমি বার্সেলোনায় আসি। আজ এই ক্লাবে আমার ১৪তম বার্ষিকী। যেসব সতীর্থ, কোচ, সমর্থক, ক্লাব পরিচালক এবং কর্মীর সঙ্গে কাজ করেছি, তাঁদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। তাঁরা সব সময় আমাকে অপরিসীম ভালোবাসা আর সমর্থন দিয়েছেন বলেই ক্লাবে খেলাটা আমার জন্য এত উপভোগের ছিল। সবার জন্য ভালোবাসা!’
কথিত আছে, বার্সার তখনকার ক্রীড়া পরিচালক কার্লেস রেক্সাস স্রেফ মেসি নামের প্রতিভাটির কথা শুনে আর্জেন্টিনায় এসেছিলেন খেলা দেখতে। সেই খেলা দেখে এতটাই মুগ্ধ হয়ে যান, সঙ্গে কোনো চুক্তিপত্র না থাকায় একটা ন্যাপকিনেই তাৎক্ষণিকভাবে মেসিকে স্বাক্ষর করান। পাছে অন্য ক্লাব এই বিস্ময় বালকটিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় এই ভয়ে। রেক্সাসের দূরদর্শিতা আজ প্রমাণিত। বার্সেলোনার হয়ে মেসি ছয়টি লিগ, তিনটি চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছেন। জিতেছেন ক্লাব বিশ্বকাপও। ব্যক্তিগতভাবেও টানা চারবারের ফিফা বর্ষসেরা হয়েছেন। ৩৮৪ গোল করে হয়েছেন বার্সেলোনার সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতাও।
কথিত আছে, বার্সার তখনকার ক্রীড়া পরিচালক কার্লেস রেক্সাস স্রেফ মেসি নামের প্রতিভাটির কথা শুনে আর্জেন্টিনায় এসেছিলেন খেলা দেখতে। সেই খেলা দেখে এতটাই মুগ্ধ হয়ে যান, সঙ্গে কোনো চুক্তিপত্র না থাকায় একটা ন্যাপকিনেই তাৎক্ষণিকভাবে মেসিকে স্বাক্ষর করান। পাছে অন্য ক্লাব এই বিস্ময় বালকটিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় এই ভয়ে। রেক্সাসের দূরদর্শিতা আজ প্রমাণিত। বার্সেলোনার হয়ে মেসি ছয়টি লিগ, তিনটি চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছেন। জিতেছেন ক্লাব বিশ্বকাপও। ব্যক্তিগতভাবেও টানা চারবারের ফিফা বর্ষসেরা হয়েছেন। ৩৮৪ গোল করে হয়েছেন বার্সেলোনার সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতাও।
