আইএস মানবতাবিরোধী অপরাধ করছে: জাতিসংঘ

আপডেট : ০৩ অক্টোবর ২০১৪, ০০:২৩

ইরাকে জাতিসংঘের সহায়তা মিশন এবং মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরাকে ইসলামিক স্টেট( আইএস) এবং এর সহযোগী সশস্ত্র দলগুলো ব্যাপকহারে মানবতা বিরোধী অপরাধ করছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ পর্যন্ত আইএসের হামলায় প্রায় ১০ হাজার মানুষ হতাহত হয়েছে। বেশিরভাগ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে ১ জুন থেকে।  প্রতিবেদনে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এ পরিসংখ্যান দলিলের ভিত্তিতেই দেয়া হয়েছে। হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা আরো বেশি হতে পারে। কারণ, পরোক্ষো কারণে মারা যাওয়া মানুষের সংখ্যা জানা যায়নি।

আইএস যোদ্ধারা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন মারাতামকভাবে লঙ্ঘন করেছে এবং ধারাবাহিকভাবে মানবাধিকারের অপব্যবহার করেছে বলেও প্রতিবেদনটিতে বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণে প্রকাশ পেয়েছে। গত ৬ জুলাই থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে আইএসের কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণ করে অপরাধ চিত্রগুলো তুলে ধরেছে জাতিসংঘ ও ‘ইউএন অ্যাসিসটেন্স মিশন ইন ইরাক’ (ইউনামি)। এ অপরাধগুলো যুদ্ধাপরাধের পর্যায়ে পড়ে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সময়ের মধ্যে ইরাকের নিরাপত্তা বাহিনী ও তাদের সহযোগীরাও কিছু অপরাধ করেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়। বৃহস্পতিবার বিবিস’র প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন ও ইউনামি ৫০০ জনের সঙ্গে আলোচনা করে প্রতিবেদন তৈরি করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, “বেসামরিক নাগরিকের ওপর হামলা, বেসামরিক স্থাপনা ধ্বংস, নাগরিকদের ওপর মৃত্যুদণ্ড চাপিয়ে দেয়া ও অন্যান্য সুনির্দিষ্ট হত্যাকাণ্ড, অপহরণ, ধর্ষণ ও অন্যান্য যৌন ও মানসিক নির্যাতনের মতো অপরাধ হযেছে ইরাকে।” জঙ্গিরা জোর করে নাগরিকদের দলে ঢুকিয়েছে, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐহিত্যবাহী অবকাঠামো ধ্বংস করেছে, জনগণের ধন-সম্পদ লুট করেছে। এছাড়া, জনগণকে মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে।