যুক্তরাষ্ট্র সফররত অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, ‘বাংলাদেশে কোনো কাজ করতে গেলেই চাঁদাবাজ এসে হাজির হয়। চাঁদাবাজকে অর্থ না দিলে কাজ করা কষ্টসাধ্য ব্যাপার। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকালে নিউইয়র্কের এস্টোরিয়ায় বৃহত্তর সিলেটবাসীদের সবচেয়ে বড় আঞ্চলিক সংগঠন জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কার্যালয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।
জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বদরুল হোসেন খানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক জেড চৌধুরী জুয়েলের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত ড. এ কে আব্দুল মোমেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি আব্দুল বাসিত, এম এ কাইয়ুম ও বদরুন নাহার খান মিতা, উপদেষ্টা আবুল কালাম, সাইফুল ইসলাম রহিম, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রানা ফেরদৌস চৌধুরী, আব্দুল খালেক, শাহীন আজমল, শেখ আতিকুল ইসলাম, সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ আতাউল গনি আসাদ, মোশাররফ আলম, নাজমুল হাসান কোবাদ প্রমূখ।
অনুষ্ঠানে সিলেটে একটি অত্যাধুনিক ডায়াগনোসিস সেন্টার স্থাপন এবং এ জন্য জমি বরাদ্দে অর্থমন্ত্রীর সহযোগিতা চান সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জেড চৌধুরী জুয়েল। এ উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও জমি বরাদ্দের ব্যাপারে অর্থমন্ত্রী নিজের অপারগতার কথা জানান। তবে তিনি বলেন, আপনারা জায়গা বের করুন, আমি যতটুকু পারি সাহায্য করব। এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে কাজ শুরু করলেই চাঁদাবাজরা এসে হাজির হয়। তাদের চাঁদা না দিয়ে কাজ করা কষ্টসাধ্য ব্যাপার। সত্যি কথা বলতে কি, আমাদের লোকরাই চাাঁদাবাজ।’
