পুঁজিবাজারে গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে চার কার্যদিবস অধিকাংশ শেয়ারের দর বেড়েছে। এতে বেড়েছে সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও)। সপ্তাহশেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পিই রেশিও ১৮ দশমিক ৯৭। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। আগের সপ্তাহশেষে ডিএসইর পিই রেশিও ছিল ১৮ দশমিক ৫৫। অর্থাত্ সপ্তাহশেষে ডিএসই’র পিই রেশিও বেড়েছে ২ দশমিক ৩০ শতাংশ বা ০.৪২ পয়েন্ট।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাজারের পিই রেশিও এখনও বিনিয়োগ অনুকূল রয়েছে। তবে কিছু কোম্পানির পিই রেশিও অনেক বেড়ে গেছে। এ কোম্পানিগুলোতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সাবধানী হতে হবে। অন্যথায় বিনিয়োগকারীদেরকে ক্ষতির মুখোমুখি হতে হবে।
তথ্যে দেখা গেছে, সপ্তাহশেষে ব্যাংকিং খাতের পিই অবস্থান করছে ১০ দশমিক ৮, আর্থিক খাতের ২১ দশমিক ৬৪, প্রকৌশল খাতের ২৪ দশমিক ৯, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ৩১ দশমিক ৬, বিদ্যুত্ ও জ্বালানি খাতের ১৪ দশমিক ৩৮, পাট খাতের ১৫৪ দশমিক ৮৭, বস্ত্র খাতের ১২ দশমিক ৭৮, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ২২ দশমিক ৫৮, সেবা ও আবাসন খাতের ৩৫ দশমিক ৮৫, সিমেন্ট খাতের ১৯ দশমিক ৯৯, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ৩০ দশমিক ২৫, চামড়া খাতের ৪২ দশমিক ৩৪, সিরামিক খাতের ৩৭ দশমিক ৪৯, বীমা খাতের ২৩ দশমিক ৩৪, বিবিধ খাতের ২৮ দশমিক ৮২, পেপার ও প্রকাশনা খাতের ২২ দশমিক ৩৩, টেলিকমিউনিকেশন্স খাতের ২৪ দশমিক ৮৪ এবং ভ্রমণ এবং অবকাশ খাতের পিই অবস্থান করছে ১৭ দশমিক ২৭।
তথ্যে আরও দেখা গেছে, সপ্তাহশেষে ক্যাটাগরিভিত্তিক পিই’র হিসাবে ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলোর পিই অবস্থান করছে ১৮ দশমিক ৮ পয়েন্টে, ‘বি’ ক্যাটাগরির ৪৫ দশমিক ২৮, ‘জেড’ ক্যাটাগরির ৮৮ দশমিক ৪৮ এবং ‘এন’ ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলোর পিই অবস্থান করছে ১৬ দশমিক ৪৮ পয়েন্টে। প্রসঙ্গত, এখানে খাতভিত্তিক পিই হিসাব করা হয়েছে ‘জেড’ ক্যাটাগরি, ওটিসি শেয়ার এবং যে সব শেয়ার দীর্ঘদিন লেনদেন হয় না, সেগুলো বাদ দিয়ে।
