সাধারণত ঈদের আগে আন্তব্যাংক লেনদেন (কলমানি) বাজার চাঙ্গা অবস্থায় থাকে। তবে এরার কোরবানির ঈদের পরেও কলমানি মার্কেটে বেশ চাঙ্গা রয়েছে। পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর গ্রাহকরে চাহিদা না থাকলেও বৃহস্পতিবার কলমানিতে সাত হাজার ৭৪১ কোটি টাকার লেনদেন হয়। আর আগের দিন বুধবার লেনদেনের পরিমাণ ছিল সাত হাজার ৮১৭ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে,বৃহস্পতিবার ও বুধবার লেনদেনে গড় সুদ হার ছিল ৮ দশমিক ৮০ শতাংশ, যা গত দুই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। লেনদেনে সর্বোচ্চ সুদ হার ছিল নয় দশমিক ৫০ শতাংশ আর সর্বনিম্ন সুদ হার সাত শতাংশ।
ঈদ ও পূজার ছুটি শেষে বুধবার ও বৃহস্পতিবার রাজধানীর ব্যাংকগুলোতে গ্রাহকের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি বা নগদ টাকার চাহিদা না থাকলেও ব্যাংকগুলো কলমানিতে ঠিকই লেনদেন করেছে। এ বিষয়ে ব্যাংককাররা বলছেন, গ্রাহকের চাহিদা না থাকলেও ব্যাংকগুলোর অভ্যন্তরীণ ঋণ মেটাতেই কলমানি মার্কেট থেকে টাকা ধার নিতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এবিবি’র ভাইস চেয়ারম্যান হেলাল আহমদ চৌধুরী বলেন,ক্লিয়ারিং হাউজে পড়ে থাকা চেকের বিল মেটাতে অনেক ব্যাংককে ধার করতে হয়েছে। অনেক ব্যাংক আগের চেক পেমেন্ট না করে হোল্ড করে রেখেছিল। সেগুলো এখন ছুটির পরে দিতে হচ্ছে। ট্রেজারিতে পরিমাণ মত টাকা না থাকায় তার যোগান দিতেই কলমানিতে টাকা ঋণ নেয়ার প্রয়োজন হচ্ছে। দু-একদিনের মধ্যে এই পরিস্থিতি আর থাকবে না বলে জানান তিনি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল মোট ৪৪টি ব্যাংক ও ২৩টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান কলমানিতে অংশ নিয়েছে।
