সেপ্টেম্বরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ, যা আগস্ট মাসে ছিল ৬ দশমিক ৯১ শতাংশ। এর মধ্যে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৬৩ শতাংশে, যা আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৬৩ শতাংশে, যা আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৭৬ শতাংশ। মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে এ সব তথ্য প্রকাশ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক গোলাম মোস্তফা কামাল।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে। আগামীতে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে।’
তিনি বলেন, ‘গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশে, যা আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৫২ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৩১ শতাংশ, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ।
এ দিকে, শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক শূন্য ২ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৮৮ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশে, যা আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ১৯ শতাংশ।
মূল্যস্ফীতির হ্রাস-বৃদ্ধি পর্যালোচনা করে বিবিএস বলছে— মূলত চাল, মাছ, ডাল, আটা, শাক-সবজি, ফল, মসলা, তেল, দুগ্ধ জাতীয় দ্রব্যাদিসহ অন্য খাদ্যপণ্যে আগস্টের তুলনায় সেপ্টেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে। অন্য দিকে পরিধেয় বস্ত্র, বাড়িভাড়া, আসবাবপত্র ও গৃহস্থালি, চিকিত্সা সেবা, পরিবহন, শিক্ষা উপকরণসহ অন্য খাদ্যবহির্ভূত ও সেবাখাতে মূল্য বেড়েছে।
