চকরিয়ায় এক ভাইকে শ্বাসরোধে হত্যা অপর ভাইকে জখম

ঘটনার পাঁচদিন পর ১৩ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

আপডেট : ১৮ অক্টোবর ২০১৪, ০০:১০

কক্সবাজারের চকরিয়ায় এক ভাইকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যা এবং অপর ভাইকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় অবশেষে পাঁচদিন পর চকরিয়া থানায় ১৩জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা (নম্বর-২০) দায়ের করা হয়েছে। নিহত খোরশেদ আলমের মা জন্নাত আরা বেগম বাদি হয়ে ১৬ অক্টোবর রাতে থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন। এতে এক নম্বর আসামি করা হয়েছে নিহতের স্ত্রীর বড়ভাই উপজেলার চিরিঙ্গা ইউনিয়নের পুর্ব সওদাগরঘোনা গ্রামের সামসুল আলমের ছেলে নাছির উদ্দিনকে। অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বাদি দাবি করেন, গত ১১ অক্টোবর রাতে তার ছেলে নিহত খোরশেদ আলম ও আহত মোরশেদ আলমসহ ৫-৬জন বন্ধু মিলে বাড়ির পাশে পানি উন্নয়ন বোর্ডের রাবার ড্যামের নিকটে একটি দোকানে বসে তাস খেলছিল। ওইসময় রাত আনুমানিক ১২টার দিকে ১০-১৫জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী সেখানে উপস্থিত হয়ে অস্ত্রের মুখে তার দুই ছেলেকে অপহরণ করে  রাবার ড্যামের পশ্চিমে মাতামুহুরী নদীর চরে (জনৈক হেদায়েত আলীর খাস জায়গায়) নিয়ে যায়। ওইসময় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা ছেলে খোরশেদকে (২৮) বেধম পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। একই সময় তার অপর ছেলে মোরশেদকে (২৪) এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে সন্ত্রাসীরা। পুর্ব শত্রুতার জের ধরে অভিযুক্ত সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে ঘটিয়েছে বলে দাবি করেছেন বাদি।
মামলার নেয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রভাষ চন্দ্র ধর বলেন, নিহতের মা জন্নাত আরা বেগম বাদি হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে থানায় ১৩জনের নাম উল্লেখ্য করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি তদন্তের জন্য থানার এসআই রুহুল আমিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ওসি বলেন, ঘটনায় জড়িতদের অনেকেই এলাকার চিহিৃত সন্ত্রাসী। তাদের বিরুদ্ধে চকরিয়া, পেকুয়া ও মহেশখালী থানায় ডাকাতি, হত্যাসহ নানা অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশ এসব আসামি গ্রেপ্তারে ইতোমধ্যে অভিযানে নেমেছে।