রাজশাহী মহানগরীতে চতুর্থ শ্র্রেণির এক শিশুকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে এক শ্র্রমিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অপহরণ ও ধর্ষণের প্রায় ১৩ ঘণ্টা পর শুক্রবার ভোরে পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে হাাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় অপহরণ ও ধর্ষণের মামলা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আশিক আলী (১৯) রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার নূরুল ইসলামের ছেছে। বর্তমানে তারা মহানগরীর জামালপুর মহল্লায় থাকে। তার বাবা শহরে রিকশা চালান। মা অন্যের বাড়িতে কাজ করেন। আশিক একটি ওয়েল্ডিং কারখানায় কাজ করেন।
বোয়ালিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোলাম রাব্বানী জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজ বাড়ি থেকে রাস্তায় এলে আশিক শিশুটির মুখ চেপে ধরে একটি অটোরিকশার তুলে নেয়। এরপর আশিক শিশুটিকে নগরীর তালাইমারী ফুলতলায় তার বন্ধু হৃদয়ের বাড়িতে নিয়ে যায়।
শিশুটির বরাত দিয়ে এসআই জানায়, ওই বাড়িতে আশিকের বন্ধু হৃদয় ছাড়া আর কেউ ছিল ন। শিশুটি রাতে ওই বাড়িতে ধর্ষণের শিকার হয়। এদিকে শিশুটি নিখোঁজের ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাত ১টার দিকে তার বাবা বোয়ালিয়া থানায় অভিযোগ করেন। এরপর পুলিশ অভিযানে বের হয়। শুক্রবার ভোরে শিশুটিকে উদ্ধার ও আশিককে আটকের সময কৌৗশলে হৃদয় তার বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় আাটক আশিক শিশুটিকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার ছুটির দিন থাকায় ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য শনিবার শিশুটিকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হবে।
