নিজের তিন মাস বয়সী শিশুকে তুরাগ নদে ফেলে দিয়ে হত্যা করেছেন এক বাবা। পাষণ্ড এ বাবার নাম সোহেল রানা, মেয়েটির নাম সোহানা আক্তার। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কড্ডা সেতু এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে।
এ ঘটনায় পুলিশ শিশুর বাবা সোহেল রানাকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে। সোহেল রানা সিটি করপোরেশনের কড্ডা এলাকার লাঠিভাঙ্গা গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্র জানায়, সোহেল দেড় বছর আগে গাজীপুরের গোবিন্দবাড়ী এলাকার আবুল কাশেমের মেয়ে রাবেয়া আক্তারকে বিয়ে করেন। গত মঙ্গলবার সোহেলের স্ত্রী একমাত্র মেয়ে সোহানা আক্তারকে নিয়ে বাবার বাড়ি কালারকুল গ্রামে বেড়াতে যান। ওই দিন দুপুরে সোহেল রানা ওই বাড়িতে গিয়ে স্ত্রীকে তাঁর সঙ্গে চলে আসতে বলেন। স্ত্রী অপারগতা জানালে তাঁদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রাবেয়া শৌচাগারে যান। এ সুযোগে সোহেল মেয়ে সোহানাকে নিয়ে চলে যান। পরে সোহানাকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে কড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে তুরাগ নদে ফেলে দেন। পরদিন বুধবার অনুশোচনায় সোহেল মেয়েকে খুঁজতে পানিতে নামলে এলাকাবাসী বিষয়টি জানতে চায়। এ সময় তিনি ঘটনা খুলে বলেন। বিষয়টি জানতে পেরে এলাকার লোকজন তাঁকে আটক করে পুলিশে দেয়।
এ ঘটনায় বুধবার রাতে রাবেয়ার ভাই আসাদুল বাদী হয়ে জয়দেবপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানাকে আসামি করা হয়েছে। সোহেলকে আটক করার পর পুলিশের কাছেও তিনি ঘটনার একই বর্ণনা দেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে তাঁকে গাজীপুরের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। সেখানে তিনি স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়ার জের ধরে মেয়েকে নদে ফেলে হত্যা করেছেন বলে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। পরে আদালতের নির্দেশে তাঁকে গাজীপুর কারাগারে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় বুধবার রাতে রাবেয়ার ভাই আসাদুল বাদী হয়ে জয়দেবপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানাকে আসামি করা হয়েছে। সোহেলকে আটক করার পর পুলিশের কাছেও তিনি ঘটনার একই বর্ণনা দেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে তাঁকে গাজীপুরের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। সেখানে তিনি স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়ার জের ধরে মেয়েকে নদে ফেলে হত্যা করেছেন বলে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। পরে আদালতের নির্দেশে তাঁকে গাজীপুর কারাগারে পাঠানো হয়।
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই শিশুর লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। জয়দেবপুর থানার অধীন ভোগড়া পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মোবারক হোসেন জানান, লাশটি উদ্ধারে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।
