চাঁদপুরে মেঘনা যেন আবর্জনার আস্তাকুড়

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০১৪, ০২:০৬

চাঁদপুর শহরের বাসিন্দারা অনেকে অভিযোগ করে বলেছেন, ময়লা আবর্জনা ফেলার কারণে এখন মেঘনার পানি ব্যবহার করা কঠিন হয়ে পড়েছে। পৌরবাসীর অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায়, পৌর কর্তৃপক্ষ শহরের সব ময়লা-আবর্জনা ট্রাকে বোঝাই করে মেঘনা নদীতে ফেলছে। এতে নদীর পানি দূষিত হয়ে পড়ায় স্থানীয় লোকজন দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। তারা নদীতে গোসল ও গৃহস্থালির কাজ করতে পারছে না।

এ ব্যাপারে চাঁদপুর পৌর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তারা দাবি করেন, শহরে জায়গা না থাকায় মেঘনা নদীতে ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। এর ফলে শহরের পরিবেশ সহজেই ভালো রাখা সম্ভব হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চাঁদপুরের পৌর এলাকার এক বাসিন্দা জানান, পুরানবাজারের যুগিপট্টি, বাকালীপট্টি, মধ্যশ্রীরামদী, পশ্চিম শ্রীরামদীর হাজার হাজার মানুষ গোসল, কাপড় ধোয়া ও রান্নাবান্নার জন্য মেঘনার পানির ওপর নির্ভর করে। কিন্তু ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারণে এখন নদীর পানি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

জানা যায়, এক বছর ধরে হরিসভা এলাকা দিয়ে পৌর কর্তৃপক্ষ তাদের গাড়ির মাধ্যমে ময়লা-আবর্জনা মেঘনা নদীতে ফেলে যাচ্ছে। তাদের সঙ্গে এখন যুক্ত হয়েছে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল। তারাও তাদের বর্জ্য পদার্থ ফেলছে মেঘনার পানিতে। পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এভাবে ময়লা-আবর্জনা ফেললে নদীর পানি মারাত্মকভাবে দূষিত হবে, ইলিশসহ নানা প্রজাতির মাছ ও জলজ প্রাণীর ক্ষতি হবে।