গত মাসে ভারতে অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন্স লীগ টি-২০ টুর্নামেন্টে পাকিস্তানি অলরাউন্ডার মোহাম্মদ হাফিজের সন্দেহজনক বোলিং এ্যাকশন নিয়ে আম্পায়াররা রিপোর্ট করেছিলেন। তথাপি নিজের বোলিং এ্যাকশন নিয়ে রোববার আত্মপ্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন হাফিজ।
দুবাইতে বুধবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শুরু হওয়া প্রথম টেস্টে আহমেদ শেহজাদকে নিয়ে পাকিস্তান ইনিংস ওপেন করতে পারেন ৩৪ বছর বয়সী হাফিজ।
তবে অবৈধ বোলিং এ্যাকশনের কারণে গত মাসে দেশ সেরা স্পিনার সাঈদ আজমল নিষিদ্ধ হওয়ায় হাফিজকে পঞ্চম বোলার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
হাফিজ বলেন তার বোলিং এ্যাকশন নিয়ে দুঃশ্চিন্তা এখন অতীত।
দলের অনুশীলন শেষে সাংবাদিকদের হাফিজ বলেন, ‘আমার বোলিং এ্যাকশন নিয়ে কোন কিছুই এখন আমার মনে নেই।’
‘ভারতে আমার বোলিং এ্যাকশন নিয়ে সতর্ক করার পরের ম্যাচে আমি বোলিং করেছি এবং কোন সমস্যা হয়নি। এছাড়া লাহোরে ন্যাশনাল একাডেমিতে সাকলাইন মুশতাকের সঙ্গে আমি আমার বোলিং এ্যাকশন পর্যালোচনাও করেছি, কোন সমস্যা নেই।’
পাকিস্তানের সাবেক স্পিনার সাকলাইন বর্তমানে আজমলের বোলিং এ্যাকশন শুধরাতে কাজ করছেন।
সন্দেহজনক বোলিং এ্যাকশনের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে গত জুলাই মাসের পর থেকে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এ পর্যন্ত আজমল, শ্রীলংকার সাচিত্রা সেনানায়েকে, নিউজিল্যান্ডের কেন উইলিয়ামসন, বাংলাদেশের সোহাগ গাজি এবং জিম্বাবুয়ের প্রসপার উৎসেয়াকে নিষিদ্ধ করেছে। নিষিদ্ধ হওয়া সকলেই অফ স্পিনার।
গত মাসে বাংলাদেশী পেসার আল আমি হোসেনের এ্যাকশন নিয়েও রিপোর্ট করা হয়েছে। খুব শিগগিরই তার পরীক্ষার ফলও জানা যাবে।
সর্ব শেষ অভিযানে প্রথম টেস্টে রিপোর্টেড হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন হাফিজ। ২০০৫ সালে ব্রিজবেনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একটি ওয়ানডে ম্যাচে বোলিং এ্যাকশন নিয়ে রিপোর্টেড হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পরবর্তীতে আইসিসির পরীক্ষায় তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়।
হাফিজ বলেন, একই এ্যাকশনে গত ১১ বছর যাবত বোলিং করছেন তিনি।
‘লক্ষ্য করুন, আমার এ্যাকশনে আমি কোন পরিবর্তন আনিনি। ১১ বছর যাবত একইভাবে বোলিং করে আসছি । সুতরাং আমি আত্মবিশ্বাসী।’
ইনজুরির কারণে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৩-০ ব্যবধানে পরাজিত হওয়া ওয়ানডে সিরিজে খেলতে পারেননি হাফিজ। তাই অসিদের বিরুদ্ধে টেস্টে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার অপেক্ষায় আছেন বলে জানান তিনি।
