বাগেরহাটে পৃথক ঘটনায় জনতা পাঁচ ছিনতাইকারীকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে। সোমবার রাতে সাতশৈয়া গ্রামের বেলায়েত হোসেনের ছেলে ব্যবসায়ী দারা হোসেনকে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের ফকিরহাট কানারপুকুর নামক স্থানে অস্ত্রের মুখে জিম্মিকরে ছিনতাই কালে ডাকচিত্কার শুনে জনতা ধাওয়া করে ৩ কুখ্যাত ছিনতাইকারীকে আটক করে পুলিশে দেয়।
এরা হলেন, রামপালের আদাঘাট গ্রামের আলতাাফ শেখের ছেলে বহু মামলার আসামী কুখ্যাত ছিনতাইকারী আলী আকবর(২৮), বটিয়াঘাটার খায়রাবাদ বাইনতলার ছবুর শেখের ছেলে শরিফ(২৬) ও রামপাল প্রসাদ নগর গ্রামের ফরাদ শেখের ছেলে আবু হানিফ ওরফে বাদল(২৪)। এসময় বাইনতলা খারাবাদ গ্রামের এলাহী শেখের ছেলে ইমরান শেখ (২২) ও গৌরম্ভা গ্রামের সাগর (৩৫) সহ অজ্ঞাতপরিচয় এক ছিনতাইকারী পালিয়ে যায়। তিনটি মোটরসাইকেল যোগে এরা ৬ জন অস্ত্রের মুখে ছিনতাই করছিল। এর কয়েকদিন আগে দৈনিক পূর্বাঞ্চলের সাংবাদিক পংকজ কর্মাকার ও তার স্ত্রীর নিকট থেকে রাখালগাছি এলাকায় অনুরূপ অস্ত্রের মুখে ল্যাপটপ স্বর্ণালংকারসহ দেড় লক্ষাধিক টাকার মালামাল ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। তার কয়েকদিন আগে মোাবাইল কোম্পানি রবির কর্মকর্তা রুবেলের নিকট থেকে একইভাবে দু’লক্ষ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যায়।
অপরদিকে, মঙ্গলবার ভোররাতে রামপালের বাইনতলার তেলিখালী এলাকা থেকে চোরাই গরু বোঝাই গাড়িসহ দুইগরুচোরকে জনতা আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে। এরা হলেন, বড় সন্যাশি গ্রামের সুামন হাওলাদার (৩২) ও বড়বাঁশবাড়িয়া গ্রামের রাজু হাওলাদার (২৬)। এসময় ষাটগম্বুজ এলাকার মিজান পালিয়ে যায়।
