অর্থপাচারকারীদের কর ফাঁকির সন্ধানে নামছে এনবিআর

আপডেট : ২২ অক্টোবর ২০১৪, ১৯:২২
 
যারা বিদেশে অর্থপাচার করেছেন তাদের আয়ের উত্স সম্পর্কে জানতে মাঠে নামছে রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এসব অর্থপাচারকারীর তালিকা তৈরি করে তাদের আয়ের উত্স ও করের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইবে এনবিআর। কর ফাঁকির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের কাছ থেকে কর আদায় করা হবে।
 বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে ইস্টার্ন ব্যাংক আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন এনবিআর চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন।
তিনি বলেন, বিদেশে যারা সেকেন্ড হোম বানিয়েছেন তাদের অর্থ পাচার ও কর ফাঁকির বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। তাদের সহযোগিতাও নেয়া হবে। অনেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া বিদেশে সেকেন্ড হোম বানিয়েছেন। এসব ব্যক্তি কোনো দেশেই কর প্রদান করছেন না। তাদের কর আদায় করতে পারলে হাজার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আহরণ সম্ভব। প্রাথমিকভাবে মালয়েশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কানাডা ও কাতারের দূতাবাসের মাধ্যমে সেসব দেশে সেকেন্ড হোম নির্মাণকারীদের তথ্য চাওয়া হবে। বাংলাদেশের সাথে ৩৩টি দেশের দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি রয়েছে। এসব দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য বা বাড়ি নির্মাণে যে কোনো এক দেশে কর দিলেই হয়। এ সুযোগ নিয়ে অনেকেই কোনো দেশেই কর দেয় না। তাই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া দুর্নীতি প্রতিরোধ ও করফাঁকি রোধে নগদ লেনদেন বন্ধ করতে হবে উল্লেখ করে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, হাতে হাতে নগদ লেনদেনের ফলে দেশের সবচেয়ে বড় শপিংমল বসুন্ধরা মার্কেটের ৬৬ শতাংশ ব্যবসায়ী ভ্যাট ও মাত্র ৪৪ শতাংশ ব্যবসায়ী কর প্রদান করেন। ব্যাংকের চেক, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন হলে এমনটি হবে না।